Bengal Liberty : মধ্যরাতে বেপরোয়া গতিতে ছুটছিল গাড়ি। একের পর এক ডিভাইডারে ধাক্কা, ভেঙে পড়ছিল ল্যাম্পপোস্ট। কোনওরকমে গাড়িটিকে থামানোর চেষ্টা করেন কর্তব্যরত ট্রাফিক পুলিশ। কিন্তু চালককে গতি নিয়ন্ত্রণের কথা বলতেই পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। অভিযোগ, কর্তব্যরত ট্রাফিক সাব-ইনস্পেক্টরের উপর চড়াও হন গাড়ির চালক। মারধরের পাশাপাশি তাঁর মুখ ও নাকে আঁচড়ে দেওয়ারও অভিযোগ উঠেছে। পরে জানা যায়, অভিযুক্ত পেশায় আইনজীবী। তিনি বারাসত আদালতে প্র্যাকটিস করেন। গ্রেফতার করা হয়েছে অভিযুক্তকে
পুলিশ সূত্রে খবর, বৃহস্পতিবার রাতে উত্তর ২৪ পরগনার ব্যারাকপুর স্টেশন সংলগ্ন এলাকায় ঘটনাটি ঘটে। ধৃত আইনজীবীর নাম পল্লব কর। অভিযোগ, ওই রাতে বেপরোয়া গতিতে গাড়ি চালানোর সময় একের পর এক ডিভাইডার ও ল্যাম্পপোস্টে ধাক্কা মারছিল গাড়িটি। গাড়িটির বিপজ্জনক গতিবিধি দেখে সেটিকে থামান ব্যারাকপুর ট্রাফিক গার্ডের এসআই রাজেশচন্দ্র রায়। এরপর চালককে গাড়ি থেকে নামতে বলতেই শুরু হয় বচসা। অভিযোগ, গাড়ি থেকে নেমে ট্রাফিক এসআইয়ের উপর চড়াও হন পল্লব কর। এমনকী, তাঁকে মারধরও করেন তিনি।
পরিস্থিতি বেগতিক বুঝে ঘটনাস্থলে উপস্থিত অন্যান্য পুলিশকর্মীরা হস্তক্ষেপ করেন। এরপর অভিযুক্তকে আটক করে থানায় নিয়ে যাওয়া হয়। পুলিশের অভিযোগ, পল্লব কর মদ্যপ অবস্থায় গাড়ি চালাচ্ছিলেন। শুক্রবার তাঁকে আদালতে পেশ করা হলে বিচারক এক দিনের পুলিশি হেফাজতের নির্দেশ দেন। পাশাপাশি, বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে গাড়িটিও।
আরও খবর
এই ঘটনাকে ঘিরে একাধিক প্রশ্ন উঠছে। আইন পেশার সঙ্গে যুক্ত একজন ব্যক্তির কাছ থেকে সমাজ আইনের প্রতি শ্রদ্ধা ও দায়িত্বশীল আচরণ প্রত্যাশা করে। সেখানে মদ্যপ অবস্থায় বেপরোয়া গাড়ি চালানো এবং কর্তব্যরত পুলিশকর্মীর উপর হামলার অভিযোগ ঘিরে বিভিন্ন মহলে সমালোচনা শুরু হয়েছে। আইন রক্ষার দায়িত্বে থাকা পুলিশকর্মীদের সঙ্গে সহযোগিতা করার পরিবর্তে তাঁদের উপরই হামলার অভিযোগ ওঠায় চর্চা শুরু হয়েছে বিভিন্ন মহলে।


