Bengal Liberty : তৃণমূলের অন্দরে শ্রীরামপুরের সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় এবং সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সমীকরণ নিয়ে নানা চর্চা থাকলেও, একই দিনে দুজনের কণ্ঠে শোনা গেল কার্যত একই সুর (Kalyan Mahua)। একদিকে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় যেমন বলেছেন, “বিদ্রোহীরা ফিরে আসলে এক ঘণ্টার মধ্যে ইস্তফা দেব”, অন্যদিকে দলত্যাগী নেতাদের নিয়ে কড়া ভাষায় হুঁশিয়ারি দিলেন কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ও। তিনি সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, যাঁরা দল ছেড়ে চলে গিয়েছেন, তাঁদের যদি আবার দলে ফেরানো হয়, তবে তিনি নিজেই দল ছাড়বেন। বাঁকুড়ার একই সভা থেকে দলত্যাগী ও বিদ্রোহী সাংসদদের নিশানা করেন কৃষ্ণনগরের সাংসদ মহুয়া মৈত্রও। ফলে ২১ জুলাইয়ের প্রস্তুতি সভাটি কার্যত একটি কড়া রাজনৈতিক বার্তার মঞ্চে পরিণত হয় (Kalyan Mahua)।

বিদ্রোহীদের বিরুদ্ধে কল্যাণ-মহুয়ার কড়া বার্তা (Kalyan Mahua)
শনিবার বাঁকুড়ার তৃণমূল ভবনে ২১ জুলাইয়ের প্রস্তুতি সভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “যে যেখানে যাচ্ছে যাক। যে যেখানে ভালো থাকে থাকুক। কিন্তু আমি মমতা দিকে জানিয়ে দিয়েছি, এদের আবার দলে ফেরালে আমি দল ছেড়ে চলে যাবো।” এদিন তিনি আরও দাবি করেন, “ওয়ান নেশন, ওয়ান ভোট বিল পাশ করানোর লক্ষ্যেই বিজেপি তৃণমূলের সাংসদদের ভেঙেছে। তবে ওই বিল পাশ হলে ২০২৯ সালে লোকসভা ও বিধানসভা নির্বাচন একসঙ্গে হবে। তখন এই দু’মুখো নেতারা কোথাও প্রার্থী হতে পারবেন না।” বাঁকুড়ার সাংসদ অরূপ চক্রবর্তীকেও তীব্র কটাক্ষ করেন কল্যাণ। তাঁর অভিযোগ, অরূপ চক্রবর্তী বাঁকুড়ার মানুষের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করেছেন।

অন্যদিকে, একই সভায় বক্তব্য রাখতে উঠে কৃষ্ণনগরের সাংসদ মহুয়া মৈত্রও বিদ্রোহী সাংসদদের আক্রমণ করেন। তাঁর দাবি, “যাদের বিরুদ্ধে বিজেপি এতদিন লড়াই করেছে, তাদের এখন সরাসরি দলে নিতে পারছে না। তাই একটি ‘বাফার জোন’-এ রাখা হয়েছে। ২০২৯ সালে সাংসদ হিসেবে মেয়াদ শেষ হলে এরা না তৃণমূলের থাকবে, না বিজেপির।”
আরও খবর

আরও পড়ুন :
https://bengalliberty.com/2026/07/18/abhishek-banerjee-41/


