Lop vs CM
ঋ রায়, Bengal Liberty: ভোটে তৃণমূলের বৈতরণী পার করাতে ময়দানে নেমেছে তৃণমূলের ডিজিটাল যোদ্ধা ও আইপ্যাক। এই নিয়ে রাজ্য রাজনীতি তুঙ্গে। এরই মাঝে সংবাদ শিরোনাম উঠে এলো সিভিকদের বদলি প্রসঙ্গ। অভিযোগ, হিন্দু হওয়ার জেরে নন্দীগ্রামের সিভিক ভলান্টিয়ারদের বদলির হতে হচ্ছে। এখনও পর্যন্ত ১৫ জনেরও বেশি সিভিক ভলেন্টিয়ারকে নিজের এলাকা থেকে ট্রান্সফার করা হয়েছে। যাদের মধ্যে রয়েছেন তৃণমূলপন্থী সিভিক ভলান্টিয়ারও। এমনটাই অভিযোগ করলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। আজ নন্দীগ্রামে শুভেন্দুর এমন অভিযোগকে কেন্দ্র করে রাজ্য রাজনীতি তপ্ত।
এই মর্মে ভোটের আগে ধর্মের তাস খেলতে চাওয়া তৃণমূলকে সাবধান করলেন বিরোধী দলনেতা। তৃণমূলের এই সিদ্ধান্তে বেজায় চোটে সিভিক ভলেন্টিয়ারদের একাংশও।

নির্দিষ্ট সম্প্রদায়কে তুষ্ট করতেই এই সিদ্ধান্ত তৃণমূলের (subhendu adhikari)
নন্দীগ্রামের বিধায়ক শুভেন্দুর অভিযোগ, অঞ্চল ভিত্তিক দক্ষ বিজেপি কর্মীদের প্রলোভন দেখিয়ে তৃণমূলে যোগদান করাতে মরিয়া হয়ে উঠেছে আইপ্যাক। পাশাপাশি পূর্ব মেদিনীপুরের এসপি সৌম্যদীপ ভট্টাচার্যকে দিয়ে এলাকার হিন্দু সিভিক ভলেন্টিয়ারদের সনাক্ত করা হচ্ছে। সনাক্তকরণ শেষে সংশ্লিষ্ট এলাকা থেকে দূরে ট্রান্সফার করার অভিযোগ সামনে এসেছে।
নন্দীগ্রাম বিধানসভাতে সংখ্যালঘুদের ভোট গুরু দায়িত্ব পালন করেছে তৃণমূলে। সেই কথা মাথায় রেখেই কি সংশ্লিষ্ট ভোট সংরক্ষিত করতে মাঠে নেমেছে তৃণমূল?
উত্তরবঙ্গে যাওয়ার আগে শুভেন্দু অধিকারী বলেছিলেন, সংখ্যালঘুদের ভোট বিজেপি না-পেলেও আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে আইএসএফ (ISF)-এর খাতায় বাড়তে পারে সংখ্যালঘুদের ভোট। তবে কি সেই কথাকে গুরুত্ব দিয়ে সংখ্যালঘুদের না-চটিয়ে বদলির তালিকা থেকে তাদের দূরে রাখতে চাইছে তৃণমূল?
অপরদিকে সংখ্যালঘু এলাকাগুলোতে নির্দিষ্ট সম্প্রদায়ের সিভিক রেখে তুষ্ট করতেই এই সিদ্ধান্ত তৃণমূলের?
