Subhendu Adhikari
Bengal Liberty:অবশেষে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর সাগরে সভার অনুমতি দিল হাই কোর্ট। বিধানসভার বিরোধী দলনেতার সাগরে জনসভার অনুমতি না দেওয়ার অভিযোগ ছিল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পুলিশ প্রশাসনের বিরুদ্ধে৷ এই নিয়ে কলকাতা হাই কোর্টের দ্বারস্থ হন তিনি৷ তারপরই আজ, বুধবার রায় ঘোষণা হয় দুপুর ১২ টা নাগাদ। হাই কোর্টের ইতিবাচক রায়ে স্বস্তি পদ্ম শিবিরে।
আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের ডঙ্কা বেজে গিয়েছে৷ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ইতিমধ্যে একাধিক সভা করেছেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়৷ পিছিয়ে নেই রাজ্যের প্রধান বিরোধী দল বিজেপিও৷ গত শনিবার রাজ্যে এসেছিলেন খোদ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি৷ কোচবিহার থেকে শুরু হয়ে কামারহাটিতে এসে শেষ হয়েছে সিপিএমের ‘বাংলা বাঁচাও যাত্রা’। এই আবহে বুধবার দঃ ২৪ পরগনার সাগরে সভা করার কথা ছিল বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর (Subhendu Adhikari)৷ তবে গঙ্গাসাগরে শুভেন্দু অধিকারীর সভায় অনুমতি দেয়নি প্রশাসন। তারপর থেকেই শুরু হয় রাজনৈতিক চাপানউতোর। বিরোধী শিবিরের দাবি গেরুয়া শিবিরের একাধিক সভাতেই শোনা যাচ্ছে প্রশাসনের না সূচক মন্তব্য। প্রথমে মহকুমাশাসককে চিঠি দেয় সাগর থানার ওসি।
চিঠির বৃত্তান্ত (Subhendu Adhikari)
গঙ্গাসাগর মেলায় পূর্ণ্যার্থীদের ও বিরোধী দলনেতার নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখে মহকুমাশাসককে চিঠি দেয় পুলিশ। সেথানে উল্লেখ করা হয়, বিরোধী দলনেতা জেড ক্যাটাগরির নিরাপত্তা পান। ভিভিআইপি প্রোটোকলে বিকল্প রাস্তা নেই। সভাস্থলে আসার বিকল্প রাস্তাও নেই। আয়োজকরা জানিয়েছেন ১০ হাজার লোক হবে। প্রস্তাবিত সভাস্থলের অসুবিধার কথা বিবেচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে মহকুমাশাসককে চিঠি দিয়ে জানিয়েছে পুলিশ। তারপরই উদ্যোক্তাদের অনুমতি খারিজের চিঠি দেয় মহকুমাশাসক। গতকাল, মঙ্গবার রাত ৯ টা ৫৫ মিনিট নাগাদ সেই চিঠি উদ্যোক্তাদের দেন এসডিও।
SDO-র সেই চিঠিকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে হাই কোর্টের দ্বারস্থ হয় গেরুয়া শিবির। জরুরF ভিত্তিতে শুনানির আবেদন করা হয়। অবশেষে সবুজ সংকেত পেলেন বিরোধী দলনেতা (Subhendu Adhikari)। সাগরে সভার অনুমতি দিল হাই কোর্ট। তবে, এই প্রথমবার নয় বিরোধী দলের দাবি, প্রত্যেকবার বিরোধী দলনেতার মিছিল বা মিটিং বা সভা হোক এ রাজ্যের তরফে বাধা আসে। অবশেষে হাই কোর্টের অনুমতিতে স্বস্তি পেল বিরোধী দলের কর্মীরা।

