Mamata Banerjee I-PAC ED Controversy
Bengal Liberty Desk, ৮ জানুয়ারি, কলকাতা: লক্ষ্মীবারে শহরের ৩ জায়গায় ইডি অভিযান (Mamata Banerjee I-PAC ED Controversy)। আর তা নিয়েই তপ্ত রাজ-রাজনীতি। সল্টলেকের সেক্টর ফাইভে অবস্থিত ভোটকুশলী সংস্থা আইপ্যাক (Mamata Banerjee I-PAC ED Controversy)-এর অফিসে আজ, বৃহস্পতিবার সকালে Enforcement Directorate (ED)-র তল্লাশি অভিযান চালানো হয়। জানা গিয়েছে, দিল্লির একটি পুরনো মামলার সূত্রে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার বিশেষ দল গতকাল, বুধবারই পৌঁছে গিয়েছে কলকাতায় (Mamata Banerjee I-PAC ED Controversy)। অফিস ছাড়াও লাউডন স্ট্রীটে আইপ্যাকের কর্ণধার প্রতীক জৈনের (Pratik Jain) বাড়িতেও অভিযান চালানো হয় বলে খবর। এর পাশাপাশি পোস্তায় আরও একজন ব্যবসা্য়ীর বাড়িতে ইডি অভিযান চলছে বলে সূত্রের খবর (Mamata Banerjee I-PAC ED Controversy)।

বৃহস্পতিবারের বারবেলায় নাটকীয় মোড়। লাউডন স্ট্রীটে আইপ্যাকের কর্ণধার প্রতীক জৈনের (Mamata Banerjee I-PAC ED Controversy) বাড়িতে তল্লাশি শুরু হওয়ার সাড়ে চার ঘণ্টার মধ্যেই সেখানে প্রথমে পৌঁছে যান কলকাতার পুলিশ কমিশনার মনোজ ভার্মা (Mamata Banerjee I-PAC ED Controversy)। গাড়ি থেকে নেমে সোজা ভিতরে ঢুকে যান তিনি। এর মিনিট পাঁচেকের ব্যবধানেই সেখানে হাজির হন স্বয়ং মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee I-PAC ED Controversy)। গাড়ি থেকে নেমে কিছুটা রাস্তা পায়ে হেঁটে বাড়ির ভিতর ঢুকে যান তিনি। এর কিছু ক্ষণ পর সবুজ একটি ফাইল নিয়ে বাড়ি থেকে বেরিয়ে আসেন মমতা (Mamata Banerjee I-PAC ED Controversy)। ওই ফাইলের পাশাপাশি, হাতে ফোন ও একটি হার্ড ডিস্কও ছিল মুখ্যমন্ত্রীর (Mamata Banerjee I-PAC ED Controversy)।
গর্জে উঠলেন মমতা (Mamata Banerjee I-PAC ED Controversy)-

প্রশ্ন ওঠে প্রতীকের বাড়ি থেকে বেরনোর সময় কী ছিল মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাতে (Mamata Banerjee I-PAC ED Controversy)? নথিপত্র হাতে নিয়ে গর্জে উঠে মমতা বলেন, ‘অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক ঘটনা যে ED (Mamata Banerjee I-PAC ED Controversy) আমার আইটি সেক্টরের অফিসে হানা দিয়েছে। আমাদের পার্টির সব তথ্য হার্ড ডিস্কে রয়েছে। এতে ক্যান্ডিডেট লিস্ট, পার্টির স্ট্যাটেজি ও পার্টির প্ল্যান রয়েছে। এটা কি ইডি ও অমিত শাহের (Mamata Banerjee I-PAC ED Controversy) কাজ? নিজের দেশকে সুরক্ষা দিতে পারে না। এখানে তো আমরাও পুলিশ পাঠাতে পারি বিজপির (Mamata Banerjee I-PAC ED Controversy) অফিসে, তাহলে কী হবে? তাদের এত সাহস রয়েছে কি? ইলেকশনের জন্য আমার পার্টির সব তথ্য নিয়ে যেতে চাইছে। আমি ফোন করেছিলাম প্রতীককে (Mamata Banerjee I-PAC ED Controversy)। আমি সব নিয়ে এসেছি। হার্ড ডিস্ক ও ফোন নিয়ে এসেছি। ওরা কালেক্ট করছে সব (Mamata Banerjee I-PAC ED Controversy)।’
কী রয়েছে ওই ফাইলে (Mamata Banerjee I-PAC ED Controversy)?
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee I-PAC ED Controversy) কথার রেশ ধরে ইঙ্গিত মিলেছে যে ওই হার্ড ডিস্কে রয়েছে ২০২৬ সালের তৃণমূল কংগ্রেসের (Mamata Banerjee I-PAC ED Controversy) সম্ভাব্য প্রার্থী তালিকা থেকে শুরু করে ভোটে লড়ার রণনীতি। আর সেই কারণেই সেখানে তড়িঘড়ি পৌঁছে যান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee I-PAC ED Controversy) নিজেই। তারপর ফাইল থেকে শুরু করে হার্ড ডিক্স এবং ফোন নিয়ে বেরিয়ে আসেন। আর এই ঘটনাই এখন বাংলাররাজনীতিতে চর্চার মূল কেন্দ্রবিন্দু (Mamata Banerjee I-PAC ED Controversy)।
শুভেন্দুর আক্রমণ (Mamata Banerjee I-PAC ED Controversy)-

আর ইডি অভিযানের সময় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee) ও কলকাতা পুলিশের কমিশনার (CP) ঘটনাস্থলে আসায় তা নিয়ে তীব্র প্রশ্ন তুলেছেন রাজ্য বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। শুভেন্দু অধিকারীর অভিযোগ (Mamata Banerjee I-PAC ED Controversy), কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার কাজের মাঝে রাজ্যের শীর্ষ নেতৃত্বের এমন হস্তক্ষেপ অনুচিত এবং প্রশাসনিক স্বাধীনতায় বাধা সৃষ্টি করে। তিনি বলেন, “আমি তদন্তের বিষয়ে কোনও মন্তব্য করবো না। কিন্তু মুখ্যমন্ত্রীর (Mamata Banerjee I-PAC ED Controversy) এই আচরণ অনৈতিক, অসাংবিধানিক এবং কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার কাজে বাধা দান করে। এর আগেও রাজীব কুমারের (Mamata Banerjee I-PAC ED Controversy) সময় মুখ্যমন্ত্রী এই কাজ করেছিলেন। ফিরহাদ হাকিমের (Mamata Banerjee I-PAC ED Controversy) সময়ও তখনও নিজাম প্যালেসের সামনে পাঁচ ঘণ্টা ধর্না দিয়েছিলেন। এই নিয়ে তিনবার হস্তক্ষেপ করলেন। এটা ওনার অভ্যাসে পরিণত হয়েছে। এরপরও মুখ্যমন্ত্রীর (Mamata Banerjee I-PAC ED Controversy) বিরুদ্ধে পদক্ষেপ না করলে মানুষের কাছে ভুল বার্তা যাবে বলে আমি মনে করি।” মুখ্যমন্ত্রী ও পুলিশের কমিশনার—উভয়ের বিরুদ্ধেই কড়া পদক্ষেপের দাবি জানিয়েছেন শুভেন্দু (Mamata Banerjee I-PAC ED Controversy)।
এরপরেই শুভেন্দুর সংযোজন (Mamata Banerjee I-PAC ED Controversy), “আইপ্যাক কোনও রাজনৈতিক দল নয়। মুখ্যমন্ত্রী আমার বাড়িতে সিআইডি (Mamata Banerjee I-PAC ED Controversy) পাঠিয়েছিলেন। আমার বৃদ্ধ বাবা-মাকে হেনস্থা করেছেন। আমার নন্দীগ্রামের বিধায়ক (Mamata Banerjee I-PAC ED Controversy) দফতরে আসামি খোঁজার নাম করে তছনছ করেন। আমি চ্যালেঞ্জ করে বলছি, বিজেপির কোনও দফতরে আপনার পুলিশ পাঠালেও পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee I-PAC ED Controversy) বান্ধবীর বাড়ির মতো ৫০ কোটি টাকা পাবেন না। কিন্তু আপনার বাড়ি তল্লাশি করলে ১০০ কোটি (Mamata Banerjee I-PAC ED Controversy) টাকা পাওয়া যাবে।’’

এদিন প্রতীর জৈনের বাড়ি থেকে বেরিয়ে মমতা (Mamata Banerjee I-PAC ED Controversy) সোজা তিনি পৌঁছে যান আইপ্যাকের সল্টলেকের অফিসে। দুপুর সাড়ে ১২টার কিছু পরে সল্টলেক সেক্টর ফাইভের ওই দফতরে পৌঁছোন তিনি। সেখানে ১১ তলায় যান পৌঁছে যান মুখ্যমন্ত্রী (Mamata Banerjee I-PAC ED Controversy)। সেখান থেকেও বেশ কিছু ফাইল নিয়ে মিনিট দশেকের মধ্যেই বেরিয়ে আসেন তিনি। একাধিক ফাইল নিয়ে রাখা হয় মুখ্যমন্ত্রীর (Mamata Banerjee I-PAC ED Controversy) গাড়িতে। সেই ফাইল রাখা গাড়িকে ঘিরে থাকে পুলিশ (Mamata Banerjee I-PAC ED Controversy)। তবে এই ফাইলে কী রয়েছে, সেটা এখনও জানা যায়নি (Mamata Banerjee I-PAC ED Controversy)।
মমতার বাড়িতে ইডি (Mamata Banerjee I-PAC ED Controversy)?
তবে এখান প্রশ্ন হল, যখন কোনও তদন্তকারী সংস্থা তদন্ত করছেন। তল্লাশি করছেন। সেই সময় কিভাবে মুখ্যমন্ত্রী (Mamata Banerjee I-PAC ED Controversy) সেই বাড়িতে আসতে পারেন? কি করে বাড়ি বা অফিস থেকে নথি তুলে নিয়ে চলে যেতে পারেন? তাহলে কি কোনও কিছু লোকানোর চেষ্টা করছেন মুখ্যমন্ত্রী (Mamata Banerjee I-PAC ED Controversy)? কেন্দ্রীয় সংস্থাকে বাধা দিচ্ছেন তদন্তে? সন্দেশখালির শেখ শাহাজান (Mamata Banerjee I-PAC ED Controversy) থেকে আজ মমতা, ইডি হানায় একই সুতোয় গাঁথা ‘জোড়াফুলে’র নীতিমালা? তবে কি এবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee I-PAC ED Controversy) বাড়িতে পৌঁছবে ইডি? প্রশ্ন উঠছেই।
