soumitra khan
Bengal Liberty: কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ইডি-র কাজে হস্তক্ষেপের অভিযোগে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিবাদে নামল বিজেপির যুব মোর্চা। শুক্রবার বিকেলে ধর্মতলা মোড়ে বিজেপি যুব মোর্চা বিক্ষোভ প্রদর্শন ও রাস্তা অবরোধ করে। যুব মোর্চার রাজ্য সভাপতি সৌমিত্র খান নেতৃত্বে (Saumitra Khan) ।
বিক্ষোভ চলাকালীন ধর্মতলা মোড় কার্যত অবরুদ্ধ হয়ে পড়ে। বিজেপি সমর্থকেরা হাতে প্ল্যাকার্ড নিয়ে রাস্তায় বসে পড়েন। প্ল্যাকার্ডে লেখা ছিল— ‘ফাইল চোর মমতা’, ‘চোর চোর সরকার’, ‘ইডির কাজে হস্তক্ষেপ বন্ধ করো’। শাসক শিবিরের বিরুদ্ধে স্লোগান তুলতে দেখা যায় বিক্ষোভকারীদের।
অভিযোগ, ইডি তল্লাশির সময় মুখ্যমন্ত্রী নথিপত্র সরিয়ে নেওয়ায় তদন্তে ব্যাঘাত ঘটেছে। এদিন তৃণমূল কংগ্রেসের মিছিলকে লক্ষ্য করে বিজেপি কর্মীরা ‘চোর চোর’ স্লোগান তোলেন। মুহূর্তে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। যদিও পুলিশি হস্তক্ষেপে বড় কোনও অপ্রীতিকর ঘটনা এড়ানো সম্ভব হয়।
মুখ্যমন্ত্রীকে তুলোধোনা সৌমিত্র খানের (Saumitra Khan)
বিক্ষোভস্থলে বক্তব্য রাখতে গিয়ে সৌমিত্র খান (Saumitra Khan) সরাসরি মুখ্যমন্ত্রীকে আক্রমণ করে বলেন, “ফাইল চোর মমতা, পিসি চোর, ভাইপো চোর—পুরো গোষ্ঠীটাই চোর। অবিলম্বে মুখ্যমন্ত্রীকে গ্রেপ্তার করা উচিত। বাংলায় ৩৫৫ ধারা জারি করা প্রয়োজন। শুধু মুখ্যমন্ত্রী নন, যেসব পুলিশ আধিকারিক ইডির তদন্তে নথি সরাতে সাহায্য করেছেন, তাঁদেরও অবিলম্বে গ্রেপ্তার করা হোক। এখন রাজ্যে রাষ্ট্রপতি শাসনই একমাত্র সমাধান।”
প্রতিবাদ আরও তীব্র করতে ধর্মতলা মোড়ে টায়ার জ্বালিয়ে বিক্ষোভ দেখান যুব মোর্চার কর্মীরা। পাশাপাশি প্রতীকী প্রতিবাদ হিসেবে অভিনব উপস্থাপনাও দেখা যায়—একটি গাছের উপরে বিড়াল বসিয়ে শাসক দলের ‘চুরি’ ও ‘লুকোচুরি’র রাজনীতির প্রতীকী প্রতিবাদ জানান বিক্ষোভকারীরা।
যুব মোর্চার দাবি, মুখ্যমন্ত্রী নিজে ইডির কাজে বাধা তৈরি করেছেন বলেই এই আন্দোলন। তাঁদের বক্তব্য, রাজ্যে আইনশৃঙ্খলা সম্পূর্ণ ভেঙে পড়েছে। এবং, প্রশাসন শাসক দলের নির্দেশে কাজ করছে। বিক্ষোভের জেরে ধর্মতলা চত্বরে কিছু সময়ের জন্য যান চলাচল ব্যাহত হয়। পরে পুলিশের অনুরোধে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে। বিজেপি যুব মোর্চার পক্ষ থেকে স্পষ্ট জানানো হয়েছে, ইডি তদন্তে হস্তক্ষেপের প্রতিবাদে আগামী দিনে তাদের আন্দোলন আরও জোরদার করা হবে।
