Mamata Banerjee's Fifth letter to Gyanesh Kumar
Bengal liberty Desk, ১২ জানুয়ারি, কলকাতা: ভোটার তালিকা সংশোধন ও যাচাই প্রক্রিয়া (SIR) নিয়ে নির্বাচন কমিশনের (Election Commission of India) বিরুদ্ধে ফের গুরুতর অভিযোগ তুললেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (CM Mamata Banerjee)। দেশের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে (Mamata Banerjee’s Fifth letter to Gyanesh Kumar) পঞ্চমবার চিঠি পাঠালেন তিনি। চিঠিতে বিশেষত দাবি করেন (Mamata Banerjee’s Fifth letter to Gyanesh Kumar), চলতি সংশোধন প্রক্রিয়ার ফলে সাধারণ মানুষ অকারণে হয়রানির শিকার হচ্ছেন এবং বহু যোগ্য ভোটারের নাম বেআইনিভাবে (Mamata Banerjee’s Fifth letter to Gyanesh Kumar) ভোটার তালিকা থেকে বাদ পড়ছে।
চিঠিতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee’s Fifth letter to Gyanesh Kumar) বিশেষভাবে আপত্তি তুলেছেন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) ব্যবহার করে পুরনো নথি স্ক্যান ও অনুবাদের পদ্ধতি নিয়ে। তাঁর অভিযোগ (Mamata Banerjee’s Fifth letter to Gyanesh Kumar), এই প্রক্রিয়ায় নাম, বয়স, লিঙ্গ, সম্পর্ক ও অভিভাবকের নামের মতো গুরুত্বপূর্ণ তথ্যে গুরুতর ত্রুটি ঢুকে পড়ছে। এর ফলেই বিপুল সংখ্যক প্রকৃত ভোটারকে ‘লজিক্যাল ডিসক্রেপেন্সি’ (Mamata Banerjee’s Fifth letter to Gyanesh Kumar) দেখিয়ে সমস্যার মুখে ফেলা হচ্ছে।
মমতার দাবি (Mamata Banerjee’s Fifth letter to Gyanesh Kumar)-
মুখ্যমন্ত্রীর দাবি (Mamata Banerjee’s Fifth letter to Gyanesh Kumar), গত ২৩ বছরে অসংখ্য ভোটার ফর্ম-৮ জমা দিয়ে সরকারি নথির ভিত্তিতে তাঁদের তথ্য সংশোধন করিয়েছেন, সেই সব তথ্য যাচাই (Mamata Banerjee’s Fifth letter to Gyanesh Kumar) করে বর্তমান ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এখন সেই দীর্ঘদিনের প্রক্রিয়াকেই উপেক্ষা করে আবার নতুন করে পরিচয় ও যোগ্যতা প্রমাণের জন্য ভোটারদের বাধ্য করা হচ্ছে বলে অভিযোগ (Mamata Banerjee’s Fifth letter to Gyanesh Kumar)।
চিঠিতে আরও উল্লেখ (Mamata Banerjee’s Fifth letter to Gyanesh Kumar) করা হয়েছে, ২০০২ সালের ভোটার তালিকার সঙ্গে যাঁদের নাম ইতিমধ্যেই নিজেদের বা উত্তরাধিকারের মাধ্যমে যুক্ত রয়েছে, তাঁদের অনেককেই অপ্রয়োজনীয়ভাবে শুনানির নোটিস পাঠানো হচ্ছে। মুখ্যমন্ত্রীর (Mamata Banerjee’s Fifth letter to Gyanesh Kumar) মতে, এ ক্ষেত্রে নতুন করে শুনানির কোনও যৌক্তিকতা নেই। এতে একদিকে সাধারণ মানুষের মধ্যে বিভ্রান্তি বাড়ছে, অন্যদিকে মাঠপর্যায়ের নির্বাচন কর্মীরাও অকারণে চাপ ও অসন্তোষের মুখে পড়ছেন। এপ্রসঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী (Mamata Banerjee’s Fifth letter to Gyanesh Kumar) প্রশ্ন তোলেন, ২০০২ সালে ফিরে যাওয়ার অর্থ কি গত দু’দশকে হওয়া সমস্ত সংশোধনকে (Mamata Banerjee’s Fifth letter to Gyanesh Kumar) অবৈধ বলে ধরে নেওয়া? তাঁর মতে, এই পদ্ধতি খামখেয়ালি এবং সংবিধানের ভাবনার পরিপন্থী।
এ ছাড়া, নামের সামান্য বানানগত পার্থক্য বা বয়সের ছোটখাটো ভুলের মতো বিষয় নিয়েও শুনানির নোটিস (Mamata Banerjee’s Fifth letter to Gyanesh Kumar) জারি করা হচ্ছে বলে অভিযোগ তোলেন তিনি। মুখ্যমন্ত্রীর দাবি, এই ধরনের সমস্যা সহজ প্রশাসনিক (Mamata Banerjee’s Fifth letter to Gyanesh Kumar) যাচাইয়ের মাধ্যমেই নিষ্পত্তিযোগ্য ছিল, অথচ সেই পথ না মেনে সরাসরি শুনানির পথে হাঁটা হচ্ছে (Mamata Banerjee’s Fifth letter to Gyanesh Kumar)।
চিঠির শেষে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee’s Fifth letter to Gyanesh Kumar) আশা প্রকাশ করেছেন, নির্বাচন কমিশন দ্রুত এই বিষয়গুলিতে কার্যকর হস্তক্ষেপ করবে-যাতে সাধারণ মানুষের হয়রানি বন্ধ হয় (Mamata Banerjee’s Fifth letter to Gyanesh Kumar), প্রশাসনিক যন্ত্রের উপর অযথা চাপ কমে এবং নাগরিকদের গণতান্ত্রিক অধিকার সুরক্ষিত থাকে (Mamata Banerjee’s Fifth letter to Gyanesh Kumar)।
