(Anandapur Godown Fire)
Bengal Liberty, Kolkata: আনন্দপুরের নাজিরাবাদে (Anandapur Godown Fire) ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে একের পর এক ঝলসে যাওয়া দেহ উদ্ধার হওয়ার পর রাজ্য প্রশাসনের দায়িত্বহীনতা(Anandapur Godown Fire) নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে। ঘটনাস্থলে গিয়ে ফায়ার অডিট সংক্রান্ত সরাসরি প্রশ্নের মুখে দমকলমন্ত্রী সুজিত বসু(Anandapur Godown Fire) মেজাজ হারান, যা TMC সরকারের প্রশাসনিক গাফিলতির স্বচ্ছ প্রমাণ।

প্রশ্নের মুখোমুখি সুজিত বসু (Anandapur Godown Fire)
সকালে দমকলমন্ত্রী সুজিত বসু (Sujit Basu) ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। দগ্ধ গোডাউন (Anandapur Godown Fire)ঘুরে দেখার পাশাপাশি দমকল বিভাগের ডিজির সঙ্গে বৈঠক করেন। পরে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি এফআইআর দায়ের ও ফরেনসিক তদন্তের (Anandapur Godown Fire)কথা জানালেও গোডাউনের ফায়ার অডিট হয়েছিল কি না সেই সরাসরি প্রশ্নের উত্তর দিতে পারেননি( Fire Minister West Bengal)।
সংবাদকর্মীরা জানতে চেয়েছিলেন, এত বছর ধরে ফায়ার অডিট (Anandapur Godown Fire)কেন হয়নি এবং নিরাপত্তার জন্য কেন কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। বারবার একই প্রশ্ন ওঠায় মন্ত্রী কিছুটা বিরক্তি প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, “কলকাতায় বহু কারখানা ও গোডাউন(Anandapur Godown Fire) রয়েছে। অনেকে লাইসেন্স নিয়ে কাজ করছে, অনেকে বেআইনিভাবে। এখনই বলা সম্ভব নয়, কোন মালিকের কাছে কী কাগজপত্র আছে(Anandapur Godown Fire)। যদি বেআইনিভাবে কিছু হয়, ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

মন্ত্রী আরও যোগ করেন (Anandapur Godown Fire)
“জলাশয় বুজিয়ে কীভাবে গোডাউন তৈরি হল? ভূমি দফতর ও সংশ্লিষ্ট (Anandapur Godown Fire) কর্তৃপক্ষই দেখবে। ডিজির সঙ্গে কথা হয়েছে। অগ্নিনির্বাপক ব্যবস্থা এখানে কিছু ছিল না। ফায়ার অডিট হয়েছিল কিনা তা আমরা দেখব, তদন্ত করা হবে।(Fire Safety Regulations)
এই মন্তব্য স্পষ্ট করে যে, TMC সরকারের প্রশাসনিক তদারকি ও দায়িত্বহীনতার(Anandapur Godown Fire) কারণে হাজারো মানুষের জীবন ঝুঁকিতে পড়েছে।(TMC Government Failure) উদ্ধারকাজ চললেও এখনও নিখোঁজ ২৫ জনের খোঁজ চলছে। সরকারি প্রশাসনের দেরি ও গাফিলতির কারণে পরিবারের মানসিক চাপ ক্রমশ বৃদ্ধি পাচ্ছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, আনন্দপুর অগ্নিকাণ্ড (Anandapur Godown Fire)শুধু দুর্ঘটনা নয়, বরং শহরের পুরনো কারখানা ও গোডাউনগুলির (Anandapur Godown Fire)নিরাপত্তা ব্যবস্থা এবং প্রশাসনিক তদারকির ঘাটতি স্পষ্ট করেছে। নিয়মিত ফায়ার অডিট না থাকায় ভবিষ্যতে এমন ঘটনা পুনরায় ঘটার ঝুঁকি রয়েছে।
