(Bandh Free Bengal)
Bengal liberty , কলকাতা – নবান্ন সভাঘর (Bandh Free Bengal) থেকে মঙ্গলবার ওয়াটগঞ্জের দইঘাটে (Watganj) নতুন শ্মশানের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন(Bandh Free Bengal) এবং সিরিটি মহাশ্মশানের (Siriti Crematorium) ভার্চুয়াল উদ্বোধন অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Bandh Free Bengal)ফের জোরালোভাবে একাধিক দাবি করলেন।
তিনি বলেন, বাংলায় এখন আর বনধ নেই, কর্মদিবস নষ্ট হয় না(Bandh Free Bengal), আর এই পরিবেশই শিল্পের পক্ষে অনুকূল পরিবেশ পরিস্থিতি তৈরি করেছে(Bandh Free Bengal)।

বনধ বন্ধের দাবি মুখ্যমন্ত্রীর (Bandh Free Bengal)
বাম আমলের সঙ্গে তুলনা টেনে মুখ্যমন্ত্রী(Bandh Free Bengal) বলেন, সেই সময়ে ৭৫ লক্ষ কর্মদিবস নষ্ট হয়েছিল। বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসার পর একদিনের জন্যও কর্মদিবস(Bandh Free Bengal) নষ্ট হতে দেওয়া হয়নি। তাঁর স্পষ্ট বক্তব্য, “আমি বনধের বিরোধী(Bandh Free Bengal)। বাংলায় বনধ করতে দেব না।”

একাধিক শিল্পের দাবি (Bandh Free Bengal)
পাশাপাশি মমতার দাবি, শিল্পপতিদের নতুন গন্তব্য এখন বাংলা(Bandh Free Bengal)। রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে একের পর এক শিল্প সংস্থা(Bandh Free Bengal) আসছে, কারখানা গড়ে উঠছে। যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নে ছ’টি করিডর তৈরির কথাও জানান তিনি। হাওড়া-দুর্গাপুর শিল্পাঞ্চলের(Bandh Free Bengal) উদাহরণ দিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, রাস্তার দু’ধারে উন্নয়নের ছবি চোখে পড়বে।
শিল্পপতিদের আশ্বাস দিয়ে মুখ্যমন্ত্রী(Bandh Free Bengal) জানান, কোনও সমস্যা হলে মুখ্যসচিব থেকে শুরু করে শিল্পসচিব, HIDCO সবাই পাশে থাকবেন। এপ্রসঙ্গে তিনি বলেন,“জীবনে শান্তি থাকলে(Bandh Free Bengal), মাথা ঠান্ডা থাকলে, পরিবার ঠিক থাকলে ব্যবসা বাড়বে। পরবর্তী প্রজন্মকে তৈরি করতে হবে(Bandh Free Bengal)।”
পাশাপাশি সামাজিক সম্প্রীতি ও শান্তির(Bandh Free Bengal) বার্তাও দেন তিনি। সভা থেকে রাজ্যের বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের কথাও তুলে ধরেন মুখ্যমন্ত্রী। শিলিগুড়িতে মহাকাল মন্দির, জগন্নাথ মন্দির-সহ একাধিক ধর্মীয় পরিকাঠামো(Bandh Free Bengal) নির্মাণের কথাও জানান তিনি।

থেকেই যাচ্ছে দাবি আর বাস্তবতার ফাঁক (Bandh Free Bengal)
মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্যে বনধমুক্ত, শিল্পবান্ধব (Bandh Free Bengal)বাংলার ছবি তুলে ধরলেও বাস্তব চিত্র কি তাই? শিল্প সংস্থার আগমন নিয়ে তিনি একাধিক দাবি করলেও একাধিক বড় প্রকল্প বাস্তবায়নের গতি মন্থর। এছাড়া কর্মসংস্থান এবং শিল্পাঞ্চলে(Bandh Free Bengal) শ্রমিক অসন্তোষের বিষয়গুলি পুরোপুরি অস্বীকার করা যায় না।
বনধ না থাকলেও রাজনৈতিক সংঘর্ষ, স্থানীয় স্তরে অশান্তি সাথে প্রশাসনিক জটিলতা যে শিল্পের পথে বাধা হয়ে দাঁড়াচ্ছে, শিল্পমহলের (Bandh Free Bengal) একাংশের এই অভিযোগ দীর্ঘদিনের। ফলে ‘ইন্ডাস্ট্রি ইজ নাউ বেঙ্গল’, এই দাবির বাস্তব মূল্যায়ন এখনও সময়সাপেক্ষ বলাই বাহুল্য।
