(President Droupadi Murmu speech)
Bengal Liberty, Kolkata: আজ বাজেট অধিবেশনের সূচনায় সংসদের যৌথ অধিবেশনে ভাষণ দিচ্ছিলেন মাননীয়া রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু। এদিন ‘বন্দে মাতরম’-এর ১৫০ বছর পূর্তি এবং বাংলার গর্ব ঋষি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের অবদান তুলে ধরছিলেন তিনি। কিন্তু এই গুরুত্বপূর্ণ ভাষণের মাঝেই সংসদের ভেতরে হট্টগোল শুরু করে কংগ্রেস ও ইন্ডি জোটের সাংসদরা(President Droupadi Murmu speech)।

(President Droupadi Murmu speech)
ঠিক কী ঘটেছে? (President Droupadi Murmu speech)
সংসদের বাজেট অধিবেশনের প্রথম দিনেই উত্তপ্ত হয়ে উঠল লোকসভা–রাজ্যসভার যৌথ অধিবেশন( Joint Session of Parliament)। রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু (President Droupadi Murmu speech) যখন সংসদের যৌথ অধিবেশনে ভাষণ দিচ্ছিলেন, সেই সময় কংগ্রেস ও INDI জোটের একাংশ সাংসদ স্লোগান তুলে সংসদের কার্যক্রমে বাধা দেন। রাষ্ট্রপতির ভাষণের মাঝেই তৈরি হয় বিশৃঙ্খলা, ভেঙে পড়ে সংসদের শালীনতা ও মর্যাদা (President Droupadi Murmu speech)
রাষ্ট্রপতি তাঁর ভাষণে দেশের অর্থনৈতিক অগ্রগতি, স্বনির্ভর ভারতের লক্ষ্য এবং গত ১১ বছরে মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণের সাফল্যের কথা তুলে ধরেন(President Droupadi Murmu speech)। এছাড়াও পাশাপাশি তিনি ‘বন্দে মাতরম’-এর ১৫০ বছর পূর্তি এবং ঋষি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের ঐতিহাসিক অবদানের কথা স্মরণ করছিলেন আর ঠিক সেই সময়েই বিরোধীদের হট্টগোলে সংসদের পরিবেশ আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।

জে.পি. নাড্ডার কড়া মন্তব্য(President Droupadi Murmu speech)
ঘটনার পর সরাসরি প্রশ্ন তোলেন কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী ও বিজেপি সভাপতি জে.পি. নাড্ডা (JP Nadda statement)। তিনি জানতে চান, কংগ্রেস ও ইন্ডি জোটের (President Droupadi Murmu speech)নেতাদের মধ্যে ‘বন্দে মাতরম’, ঋষি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় এবং বাংলার মাটির প্রতি এত ঘৃণা কেন? রাষ্ট্রপতির ভাষণের সময় ইচ্ছাকৃত ভাবে বিশৃঙ্খলা তৈরি করে তাঁরা কাদের বার্তা দিতে চেয়েছেন? সেই প্রশ্নও তুলেছেন নাড্ডা।সবচেয়ে তাৎপর্যপূর্ণভাবে, এই হট্টগোলে তৃণমূল কংগ্রেসের অংশগ্রহণ নিয়েও বিস্ময় প্রকাশ করেন তিনি।
জে.পি. নাড্ডা বলেন, রাষ্ট্রপতির ভাষণ চলাকালীন এই আচরণ কেবল রাজনৈতিক শিষ্টাচার নয়, এটি জাতীয় সংগীত ‘বন্দে মাতরম’ এবং তার স্রষ্টার অপমান। গোটা দেশ এই দৃশ্য দেখেছে এবং ইতিহাসও তা মনে রাখবে। (President Droupadi Murmu speech) তাঁর মতে, সংসদের মতো সর্বোচ্চ সাংবিধানিক মঞ্চে এমন আচরণ ক্ষমার অযোগ্য। যারা এই বিশৃঙ্খলায় জড়িত, তাদের সংসদ এবং দেশের মানুষের(President Droupadi Murmu speech) কাছে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাওয়া উচিত।( Parliament Budget Session)
উল্লেখ্য রাষ্ট্রপতির ভাষণের মতো সর্বোচ্চ সাংবিধানিক মুহূর্তেও যদি রাজনৈতিক বিশৃঙ্খলা তৈরি করা হয়, তবে তা কেবল সরকার নয় দেশের গণতন্ত্র, ইতিহাস ও জাতীয় সম্মানকেও আঘাত করা হয়(President Droupadi Murmu speech)। তবে প্রশ্ন উঠছে, বিরোধীদের এই আচরণ আদৌ কি গণতান্ত্রিক দায়িত্ববোধের পরিচয় দেয়? নাকি সংসদকে কেবল রাজনৈতিক নাটকের মঞ্চে পরিণত করাই এখন তাদের একমাত্র লক্ষ্য?( National song insult controversy)
