Biplab Deb West Bengal Assembly Session
Bengal Liberty Desk, ৩ ফেব্রুয়ারি, কলকাতা : ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনের (Biplab Deb West Bengal Assembly Session)দামামা বেজে গিয়েছে বাংলায়। এই আবহে আজ, মঙ্গলবার পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার অধিবেশনের(Biplab Deb West Bengal Assembly Session) প্রথম দিনে বিশেষ উপস্থিতি লক্ষ্য করা গেল ত্রিপুরার প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব কুমার দেবের। বঙ্গ বিজেপি বিধায়কদের মনোবল বাড়াতে এবং নির্বাচনী কৌশল ঝালিয়ে নিতেই তাঁর এই বিধানসভা সফর বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।
বিধানসভায়(Biplab Deb West Bengal Assembly Session) পৌঁছেই বিপ্লব দেব সরাসরি বিজেপির পরিষদীয় দলের ঘরে যান। সেখানে উপস্থিত ছিলেন রাজ্য বিধানসভার(Biplab Deb West Bengal Assembly Session) বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী সহ বিজেপির অন্যান্য বিধায়করা। বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী এবং বিজেপি বিধায়ক অগ্নিমিত্রা পাল তাঁকে স্বাগত জানান। স্মারক উপহার দিয়ে তাঁকে সম্মানিত করা হয়। পাশাপাশি বিজেপির পরিষদীয় দলের মুখ্য সচেতক শঙ্কর ঘোষ পুষ্পস্তবক দিয়ে তাঁকে বরণ করেন।

বিজেপি বিধায়কদের সঙ্গে বৈঠক (Biplab Deb West Bengal Assembly Session)
প্রায় আধ ঘণ্টারও বেশি সময় বিজেপি বিধায়কদের সঙ্গে রুদ্ধদ্বার বৈঠক করেন তিনি। সূত্রের খবর, বৈঠকে বিপ্লব দেব প্রত্যেক বিধায়ককে(Biplab Deb West Bengal Assembly Session) তাঁদের নিজের এলাকায় বাকি উন্নয়নমূলক কাজ দ্রুত শেষ করার এবং মানুষের কাছে পৌঁছে যাওয়ার কড়া নির্দেশ দিয়েছেন। ২০২৬-এর নির্বাচনে জয়ের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছেন তিনি। তাঁর স্পষ্ট বার্তা, প্রতিটি বুথ স্তরে সংগঠনের শক্তি বাড়িয়ে আগামী লড়াইয়ে বিজেপিকে বিজয়ী হতে হবে।

বিপ্লবে ভরসা কেন্দ্রীয় বিজেপি নেতৃত্বের (Biplab Deb West Bengal Assembly Session)
সম্প্রতি পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা(Biplab Deb West Bengal Assembly Session) নির্বাচনের সহ-পর্যবেক্ষক হিসেবে বিপ্লব দেবকে দায়িত্ব দিয়েছে কেন্দ্রীয় বিজেপি নেতৃত্ব। ত্রিপুরায় বাম জমানার অবসান ঘটানোর অভিজ্ঞতাকে বাংলায় কাজে লাগাতে চাইছে দল। আজ বিধানসভা অধিবেশনের প্রথম দিনেই তাঁর এই উপস্থিতি বুঝিয়ে দিল যে, বঙ্গ বিজেপির রাশ তিনি নিজের হাতে শক্ত করে ধরতে চাইছেন।
ত্রিপুরার প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব দেব জানিয়েছেন, “আমরা নরেন্দ্র মোদির আদর্শে অনুপ্রাণিত। পশ্চিমবাংলার মানুষকে মুক্তি দেওয়া প্রয়োজন। বিশেষত কর্মসংস্থান ও আয়ের পথ সম্প্রসারিত করা প্রয়োজন। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল নারী সুরক্ষা যা ভারতীয় জনতা পার্টির প্রধান লক্ষ্য। মানুষের পাশে থাকা, মানুষের হয়ে কাজ করা বিজেপির মুখ্য উদ্দেশ্য।” এদিনের বৈঠক ঘিরে রাজ্য রাজনীতিতে নতুন সমীকরণের ইঙ্গিত মিলছে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।
