Beldanga police station surrounded
Bengal Liberty Desk:
বেলডাঙা থানার বিরুদ্ধে জনতা উন্নয়ন পার্টির (Janata Unnayan Party) এক কর্মীর ছেলেকে থানায় নিয়ে গিয়ে মারধরের অভিযোগ তুলেছেন তৃণমূলের সাসপেন্ডেড বিধায়ক ও জনতা উন্নয়ন পার্টির (JUP) প্রতিষ্ঠাতা হুমায়ুন কবীর(Beldanga police station surrounded)। শুধু তাই নয়, ওই তরুণকে থানাতেই আটকে রাখা হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।
এই ঘটনার প্রতিবাদে আগামী ১৪ তারিখ বেলডাঙা থানা (Beldanga police station) ঘেরাওয়ের ডাক দিয়েছেন হুমায়ুন কবীর (Humayun Kabir) ও তাঁর দলের কর্মীরা।

‘শেষ কথা পুলিশ বলবে, না কি জনগণ?’-হুমায়ুনের তোপ (Beldanga police station surrounded)
বেলডাঙার ঘটনার প্রসঙ্গে হুমায়ুন কবীর সরাসরি প্রশ্ন তুলেছেন প্রশাসনিক কর্তৃত্ব নিয়ে। তাঁর কথায়, “বেলডাঙার আইসি দলের একটি ছেলেকে থানায় নিয়ে গিয়ে মারধর করেছে। থানাতেই রেখে দিয়েছে। শেষ কথা কে বলবে—পুলিশ, না কি জনগণ?” এই মন্তব্যের মাধ্যমেই পুলিশের ভূমিকা নিয়ে তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করেন তিনি। হুমায়ুন কবীর জানান, এই ঘটনার প্রতিবাদে ১৪ তারিখ বেলডাঙা থানা ঘেরাও করা হবে। তাঁর দাবি, প্রশাসনের এই ধরনের আচরণের বিরুদ্ধে রাস্তায় নেমেই জবাব দেওয়া হবে।
হুমায়ূন কবীরকে হত্যার জন্য সুপারি কিলার ভাড়া করা হয়েছে। ডার্ক ওয়েবের মধ্যমে হয়েছে চুক্তি। কেন্দ্রীয় IB-র রিপোর্টে চাঞ্চল্যকর তথ্য। #BengalLiberty#humayunkabir#jantaunnayanparty#darkweb pic.twitter.com/Gp332lbI5N
— Bengal Liberty (@bengalliberty1) February 10, 2026
আইনের পথে না গিয়ে আন্দোলনের ডাক কেন? (Beldanga police station surrounded)
আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন উঠে আসছে-হুমায়ুন কবীর(Beldanga police station surrounded) কেন আইনের দ্বারস্থ না হয়ে সরাসরি আন্দোলনের পথ বেছে নিচ্ছেন? রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, প্রশাসনের উপর আস্থা না থাকায় তিনি জনআন্দোলনের মাধ্যমে চাপ তৈরি করতে চাইছেন। যদিও এই বিষয়ে হুমায়ুন কবীর সরাসরি কিছু না বললেও, তাঁর বক্তব্য ও কর্মসূচির ঘোষণায় সেই ইঙ্গিত স্পষ্ট।
মুর্শিদাবাদে তৃণমূলের আধিপত্য সংকটে! (Beldanga police station surrounded)
এই ঘটনার প্রেক্ষিতে মুর্শিদাবাদে শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসের প্রভাব ও আধিপত্য নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন হুমায়ুন কবীর(Beldanga police station surrounded)। হুমায়ুনের বক্তব্যে, এলাকায় তৃণমূলের রাজনৈতিক দাপটই প্রশাসনিক বিশৃঙ্খলার কারণ।
তবে বারংবার এই ধরনের ঘটনায় প্রশ্ন উঠছে, হুমায়ুন কবীরের রাজনৈতিক সক্রিয়তায় কি শাসক দল অস্বস্তিতে ভুগছে? হুমায়ুন কবীরের নতুন দল গঠনে কি পায়ের তলার মাটি সরে গেছে সবুজ গড়ের? প্রশ্ন আসছে, তৃণমূল তাহলে ভয় পেয়েছে? তবে, এই রাজনৈতিক টানাপোড়েনের আবহে আগামী ১৪ তারিখ পরিস্থিতি কোন দিকে মোড় নেয়, সেদিকেই এখন নজর রাজনৈতিক মহল ও সাধারণ মানুষের।
