HC On Wetlands Illegal Construction
Bengal Liberty Desk, ২৩ ফেব্রুয়ারি, কলকাতা: রাজ্যে একের পর এক বেআইনি মির্মাণের অভিযোগ বহুদিনের। যার জল গড়িয়েছে আদালত পর্যন্ত। মামলাও হয়েছে বহু। জমা পড়েছে একগুচ্ছ রিপোর্ট। পূর্ব কলকাতা জলাভূমি এলাকায় বেআইনি নির্মাণ রুখতে রাজ্য সরকারের ব্যর্থতায় এবার চরম অসন্তোষ প্রকাশ করল কলকাতা হাই কোর্ট। আজ, সোমবার, হাই কোর্টের বিচারপতি অমৃতা সিনহা সাফ জানিয়েছেন যে, রাজ্য সরকার যদি স্থানীয় বিক্ষোভ বা অন্য কোনও কারণে অবৈধ নির্মাণ ভাঙতে ব্যর্থ হয়, তবে আদালত বাধ্য হয়ে আধা-সামরিক বাহিনী (Paramilitary Forces) নামানোর নির্দেশ দেবে।
আরো পড়ুন:- কংগ্রেসকে কোণঠাসা করে TMC-র প্রশংসায় মোদি (PM Modi Congress row)!
শুনানির মূল বিষয়বস্তু (HC On Wetlands Illegal Construction)
পূর্ব কলকাতা জলাভূমি (East Kolkata Wetlands) ভরাট করে গড়ে ওঠা ৫০৫টি বেআইনি নির্মাণ নিয়ে আজ, সোমবার শুনানি ছিল বিচারপতি অমৃতা সিনহার বেঞ্চে। শুনানির সময় ‘ইস্ট কলকাতা ওয়েটল্যান্ড ম্যানেজমেন্ট অথরিটি’ (EKWMA) আদালতে জানায় যে, অবৈধ নির্মাণের বিদ্যুৎ সংযোগ কাটতে গিয়ে তাঁরা স্থানীয়দের তীব্র বিক্ষোভের মুখে পড়েছেন। পুলিশ বা জেলা প্রশাসনের সাহায্য চেয়েও মেলেনি বলে তাদের দাবি।

কী বললেন বিচারপতি? (HC On Wetlands Illegal Construction)
এই পরিস্থিতি শুনে বিচারপতি বলেন, “আদালতে রিপোর্টের পর রিপোর্ট জমা পড়ছে, কিন্তু বাস্তবে কাজ হচ্ছে না। আপনারা বিক্ষোভ সামলাতে না পারলে অন্য এজেন্সিকে ডাকতে হবে”। রাজ্য ও পুরসভার ভূমিকায় আস্থা হারিয়ে বিচারপতি এদিনই কেন্দ্রীয় সরকারকে এই মামলায় পক্ষভুক্ত করার নির্দেশ দেন। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক, আবাসন মন্ত্রক এবং পরিবেশ মন্ত্রককে এই মামলায় পক্ষভুক্ত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে হাই কোর্টের তরফে।
Amit Shah: “অভিযোগের ভিত্তিতে ভবিষ্যতে পলিসিতে প্রয়োজনীয় পরিবর্তন করা হবে”@SuvenduWB @BJP4India @BJP4Bengal @bengalliberty @AmitShah #bengalliberty #amitshah #suvenduadhikari #BJP pic.twitter.com/yFlb8O0PkG
— Bengal Liberty (@bengalliberty1) February 23, 2026
বিদ্যুৎ ও জল সংযোগ বিচ্ছিন্ন করার নির্দেশ! (HC On Wetlands Illegal Construction)
জলাভূমি এলাকায় নতুন কোনও বেআইনি নির্মাণের ক্ষেত্রে বিদ্যুৎ বা জলের সংযোগ দেওয়া যাবে না বলে আগেই নির্দেশ দিয়েছিলেন বিচারপতি। এদিন তিনি পুনরায় মনে করিয়ে দেন যে, অবৈধ নির্মাণের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নিতে হবে এবং আগামী ১৬ মার্চের মধ্যে এই বিষয়ে পরবর্তী রিপোর্ট জমা দিতে হবে।
বিচারপতি সিনহা এদিন স্পষ্ট করে দিয়েছেন যে, বেআইনি নির্মাণের ক্ষেত্রে আদালতের কোনও সহানুভূতি থাকবে না। তিনি সাফ জানান, “আইন মেনে কাজ করতে হবে, সামান্যতম বেআইনি নির্মাণও বরদাস্ত করা হবে না”। এর আগে নারকেলডাঙার একটি মামলার ক্ষেত্রেও তিনি প্রয়োজনে কেন্দ্রীয় বাহিনী দিয়ে অবৈধ ভবন ভাঙার ইঙ্গিত দিয়েছিলেন।
