IPS posting controversy
Bengal Liberty, ২৮ ফেব্রুয়ারি :
দীর্ঘ বিতর্ক, অভিযোগ এবং উত্তেজনার আবহের মধ্যেই আজ, শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারি প্রকাশিত হচ্ছে এসআইআর বা ভোটার তালিকার নিবিড় সংশোধনের চূড়ান্ত ফলাফল। সম্ভাব্য আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখে রাজ্যজুড়ে বাড়ানো হয়েছে নিরাপত্তা এবং তৎপর হয়েছে পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ। সেই অনুযায়ী রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা ব্যবস্থার উপর নজর রাখতে ৪ সিনিয়র আইপিএস অফিসারকে পাঠানো হল রাজ্যের চার জেলায়।
কিন্তু এই নিরপত্তার দায়িত্ব বণ্টনের ক্ষেত্রেও দেখা গেল ধর্মের বিভেদ। হিন্দু অধ্যুষিত এলাকায় হিন্দু আইপিএস অফিসার এবং মুসলিম অধ্যুষিত এলাকায় মুসলিম আইপিএস অফিসারকে দায়িত্ব ভাগ করে দেওয়া হল। যা নিয়ে নতুন করে বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। প্রশ্ন একটাই, এখানেও ধর্মের বেড়াজাল?

ধর্মের ভিত্তিতে দায়িত্ব ভাগ
ভোটার তালিকা প্রকাশকে কেন্দ্র করে যে কোনও অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে রাজ্যের চার জেলায় বিশেষ নজরদারির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সেই অনুযায়ী চারজন সিনিয়র আইপিএস আধিকারিককে জরুরি ভিত্তিতে সংশ্লিষ্ট জেলায় পাঠানো হয়েছে।
কোচবিহারে দায়িত্বে গেছেন আইপিএস সুনীল যাদব। মালদাতে পাঠানো হয়েছে অজয় নন্দকে। নদিয়ায় কৃষ্ণনগর পুলিশ জেলার নজরদারিতে দায়িত্বে রয়েছেন IPS গৌরব শর্মা। মুর্শিদাবাদে গেছেন সিনিয়র আইপিএস রশিদ মুনির খান।
এই নিয়োগ ঘিরেই নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে রাজনৈতিক মহলে। বিশেষ করে মুর্শিদাবাদ, যা দীর্ঘদিন ধরেই সংখ্যালঘু অধ্যুষিত জেলা হিসেবে পরিচিত, সেখানে দায়িত্বে পাঠানো হয়েছে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ভুক্ত আইপিএস আধিকারিক রশিদ মুনির খানকে। রাজনৈতিক মহলের একাংশের দাবি, প্রশাসনিক দায়িত্ব বণ্টনের ক্ষেত্রেও কি তবে সামাজিক বা ধর্মীয় সমীকরণকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে? কিন্তু কেন? তার উত্তর অবশ্য অধরাই।

নজরদারিতে জোর IPS posting controversy
রাজ্য পুলিশ সূত্রে খবর, তাঁরা সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসন ও পুলিশি ব্যবস্থার উপর সরাসরি নজর রাখবেন। পাশাপাশি জেলা পুলিশ সুপারদের সর্বক্ষণ সতর্ক থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ইতিমধ্যেই কমিশনের দফতর থেকে শুরু করে জেলাগুলিতে বাড়তি নিরাপত্তা মোতায়েন করা হয়েছে। সকাল থেকেই বাড়তি নজরদারি চলছে এবং কেন্দ্রীয় বাহিনীর সঙ্গেও সমন্বয় রেখে কাজ করার নির্দেশ দিয়েছেন রাজ্যের পুলিশ কর্তা পীযূষ পাণ্ডে।
