Ships Crossed Strait of Hormuz
Bengal Liberty, ১৪ এপ্রিল ২০২৬:
ইসলামাবাদে ২১ ঘণ্টার শান্তি বৈঠক ব্যর্থ হওয়ার পর মার্কিন রাষ্ট্রপতি ডোনাল্ড ট্রাম্পের হুঙ্কারে মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি অত্যন্ত উদ্বেগজনক আকার ধারণ করেছে। গতকালই ট্রাম্প বড় দাবি করে জানান— “আমেরিকা ইরানের থেকে হরমুজ প্রণালীর (Ships Crossed Strait of Hormuz) নিয়ন্ত্রণ ছিনিয়ে নেবে; কোনো পণ্যবাহী জাহাজ আর হরমুজ পারাপার করতে পারবে না।”

কিন্তু এই কড়া হুঁশিয়ারির পরেই ভারতের একটি জাহাজ সফলভাবে হরমুজ প্রণালী পেরিয়ে দুবাইয়ের দিকে যাত্রা করছে। ‘পায়া লেবার’ নামের জাহাজটি ইরানের বন্দরগুলো অতিক্রম করে নিজের গন্তব্যের দিকে এগিয়ে চলেছে। ট্রাম্পের ঘোষিত ‘সামরিক অবরোধ’ শুরু হওয়ার পর এই প্রথম কোনো জাহাজ হরমুজ অতিক্রম করল।
কেন ট্রাম্পের এই অবস্থান? (Ships Crossed Strait of Hormuz)
ইসলামাবাদের শান্তি বৈঠক ভেস্তে যাওয়ার পর আক্রমণের ঝাঁজ বাড়িয়ে ক্রমাগত হুঙ্কার দিচ্ছেন মার্কিন রাষ্ট্রপতি। শান্তি বৈঠকে ১০ দফা শর্ত নিয়ে আলোচনা হয়েছিল। সেখানে ৭টি শর্তে সবাই একমত হলেও মূলত ৩টি শর্ত নিয়ে গভীর মতভেদ তৈরি হয়।

• লেবানন সংকট: লেবাননে ইজরায়েলের আক্রমণ যত দ্রুত সম্ভব বন্ধ করতে হবে। অভিযোগ উঠেছে যে, ক্রমাগত আগ্রাসনের ফলে যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব বারবার খর্ব হচ্ছে।
• ইরানের বাজেয়াপ্ত সম্পদ: ইরানের বাজেয়াপ্ত করা সম্পত্তি ও সম্পদ তাদের হাতে ফিরিয়ে দিতে হবে। প্রাক্তন মার্কিন রাষ্ট্রপতি জো বাইডেন এই সম্পদ ফেরানোর তোড়জোড় শুরু করলেও, হামাসের ইজরায়েল হামলার পর সেই প্রস্তাব নাকচ করে দেওয়া হয়।
• পরমাণু পর্যবেক্ষণ: ইরানের পরমাণু অস্ত্র পরীক্ষা-নিরীক্ষার ওপর নজরদারির জন্য আমেরিকাকে পূর্ণ অনুমতি প্রদান করতে হবে।
সূত্রের খবর, এই তিনটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে কোনো ঐকমত্য না হওয়ায় বৈঠকটি নিষ্ফলা থেকে যায়।
IPAC director arrest: ভোট শুরু হতে মাত্র আর ১০ দিন বাকি, তার আগে ED র বড় পদক্ষেপ | Bengal Liberty
👉 https://t.co/6mVQ1uVW7k#IPAC #EDRaid #EnforcementDirectorate #vineshchandel #bengalliberty pic.twitter.com/xUe3c0w8WR— Bengal Liberty (@bengalliberty1) April 14, 2026
জাহাজের বর্তমান পরিস্থিতি (Ships Crossed Strait of Hormuz):
ভারতের জাহাজটি দুবাইয়ের পথে এগিয়ে চললেও সেটির গতিবিধির ওপর তীক্ষ্ণ নজর রাখা হচ্ছে। জাহাজটিতে তেল, গ্যাস বা রাসায়নিক জাতীয় পদার্থ থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। এর মধ্যে ইরানের একটি পেট্রোপণ্যবাহী জাহাজও ছিল, যা বর্তমানে মার্কিন নিষেধাজ্ঞার তালিকায় রয়েছে বলে বিবিসি সূত্রে জানা গেছে।
এখন বড় প্রশ্ন হয়ে দাঁড়িয়েছে—আমেরিকার এই হুঙ্কার কি শুধুই বাগাড়ম্বর, নাকি মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধে সত্যিই কোনো নতুন রণনীতি নিয়ে সরাসরি ময়দানে নামতে চলেছে ওয়াশিংটন?
আরও পড়ুন:
পহেলা বৈশাখ(Pohela Boishakh 2026): বাঙালির আত্মপরিচয়ের দর্পণ
