Doorstep voting
Bengal Liberty, Kolkata:
ভোটের কাউন্টডাউন শুরু হতেই প্রশাসনিক তৎপরতা তুঙ্গে জলপাইগুড়ি জেলায় Doorstep voting। বুথে পৌঁছনো সম্ভব নয়,এমন বয়স্ক ও বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন ভোটারদের ভোটাধিকার নিশ্চিত করতে বাড়ি বাড়ি পৌঁছে যাচ্ছে নির্বাচন কর্মীদের দল। ‘হোম ভোটিং’-এর এই বিশেষ ব্যবস্থাকে কেন্দ্র করে জেলা জুড়ে এখন চরম ব্যস্ততা, কড়া নজরদারিতে চলছে ভোটগ্রহণ প্রক্রিয়া।

কী ঘটছে? Doorstep voting
জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, জলপাইগুড়ির একাধিক বিধানসভা কেন্দ্র জুড়ে বহু প্রবীণ ও বিশেষভাবে সক্ষম ভোটার এই সুবিধার জন্য আবেদন করেছিলেন। তাঁদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য সংখ্যকই প্রবীণ নাগরিক। নির্বাচন কমিশনের অনুমোদনের পর তাঁদের বাড়িতেই ভোটগ্রহণের ব্যবস্থা করা হয়েছে।
প্রশাসনের তরফে জানানো হয়েছে, নির্দিষ্ট তালিকা অনুযায়ী প্রতিটি আবেদনকারীর কাছে পৌঁছে যাচ্ছে ভোটকর্মীদের দল।
কীভাবে চলছে ভোটগ্রহণ প্রক্রিয়া
নির্বাচন কমিশনের নির্দেশ মেনে ভোটকর্মীরা ব্যালট বাক্স, প্রয়োজনীয় নথি ও অন্যান্য সামগ্রী নিয়ে সরাসরি ভোটারদের বাড়িতে পৌঁছে যাচ্ছেন। প্রতিটি বাড়িতে নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে অস্থায়ী ভোটিং কম্পার্টমেন্ট তৈরি করা হচ্ছে, যাতে সম্পূর্ণ গোপনীয়তা বজায় রেখে ভোট দেওয়া যায়। ভোটদানের পর ব্যালট পেপার নির্দিষ্ট প্রোটোকল মেনে সিল করে সংগ্রহ করা হচ্ছে।
নিরাপত্তা ও স্বচ্ছতা নিশ্চিতকরণ
পুরো প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা বজায় রাখতে এবং নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কেন্দ্রীয় বাহিনী ও প্রশাসনিক আধিকারিকদের উপস্থিতিতে ভোটগ্রহণ করা হচ্ছে। প্রতিটি ধাপেই ভিডিওগ্রাফির ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে।
নির্বাচন কমিশনের নির্দিষ্ট গাইডলাইন মেনেই সম্পন্ন হচ্ছে এই হোম ভোটিং প্রক্রিয়া।
কেন এই উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ
বিশেষজ্ঞদের মতে, এই ধরনের উদ্যোগ গণতন্ত্রকে আরও অন্তর্ভুক্তিমূলক করে তোলে। যেখানে শারীরিক সীমাবদ্ধতা বা বয়স কোনও বাধা হয়ে দাঁড়ায় না, সেখানে ভোটাধিকার আরও শক্তিশালী হয়।
বিশেষ করে গ্রামীণ ও দূরবর্তী এলাকায় বসবাসকারী প্রবীণ নাগরিকদের জন্য এই উদ্যোগ অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ।শুধু জলপাইগুড়ি নয়, রাজ্যের একাধিক জেলাতেই এই হোম ভোটিং ব্যবস্থা চালু হয়েছে। প্রবীণ ও বিশেষভাবে সক্ষম ভোটারদের সুবিধার জন্য এই উদ্যোগকে রাজ্যজুড়ে বাস্তবায়ন করছে নির্বাচন কমিশন।
আরও পড়ুন :
