tmc alligation
Bengal Liberty , কলকাতা:
ভোটের নির্ঘন্ট যত এগোচ্ছে, ‘শঙ্কা’ দানা বাঁধছে রাজ্যের শাসক শিবিরের মনে tmc alligation। বৃহস্পতিবার, তৃণমূলের চার যোদ্ধা , যথা অরূপ বিশ্বাস, শশী পাঁজা সমৃদ্ধ শাসক দলের প্রতিনিধিরা কেরল এবং অন্ধ্রপ্রদেশের নির্বাচনের উদাহরণ টেনে অভিযোগ করেছেন নির্বাচন কমিশনের কাছে। তবে কি শাসকদলের মনে ভয়ের দানা বাঁধতে শুরু করলো? প্রশ্ন বিরোধীমহলে।


কেরলের তথ্য নিয়ে অহেতুক জটিলতা সৃষ্টি tmc alligation
শাসকদলের অভিযোগ, গত ৯ এপ্রিল কেরলে ভোট হয়ে গেলেও তিন দিন পরেও কেন্দ্রভিত্তিক বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করেনি কমিশন। কেরলের ভোট নিয়ে বাংলার শাসক দলের এই ‘অতিরিক্ত উদ্বেগ’ ব্যাপারটা নজর কাড়ছে সকলেরই। যেনতেন প্রকারেই কেন্দ্রীয় বাহিনীর কড়া নজরদারি ও স্বচ্ছতাকে প্রশ্নবিদ্ধ করার একটি সুপরিকল্পিত পরিকল্পনা।

অন্ধ্রপ্রদেশের ‘পুরানো কাসুন্দি’
চিঠিতে ২০২৪ সালের অন্ধ্রপ্রদেশ নির্বাচনের প্রসঙ্গ টেনেছে তৃণমূল। তারা দাবি করেছে, সেখানে নাকি গভীর রাতে অবিশ্বাস্য গতিতে ভোট পড়েছিল। কিন্তু প্রশ্ন উঠছে, দুই বছর আগে অন্ধ্রপ্রদেশে কী হয়েছিল, তা নিয়ে চিন্তিত কেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দল? বুঝতে বাকী নেই, এই ছকের মাধ্যমে রাজ্যের নাগরিকদের মনে ইভিএম (EVM) বা নির্বাচনী প্রক্রিয়ার প্রতি অবিশ্বাস তৈরি করার চেষ্টা করা হচ্ছে। স্বচ্ছতা নিয়ে শাসকদল এতই অবগত, রাজ্য পুলিশ দিয়ে করানো পঞ্চায়েত নির্বাচন তবে কেন হিংসাত্মক হয়েছিল?
চিঠির মূল নির্যাস বুঝতে বাকি নেই কারুরই। ভবিষ্যতে নির্বাচনের জন্য ‘কড়া নজরদারি’ এবং ‘অস্বচ্ছতা’র অভিযোগ তোলা। আদতে রাজ্যের আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশন যাতে অতিরিক্ত সক্রিয় না হয় বা বুথে বুথে কড়াকড়ি না বাড়ায়, তার জন্য একটি সুপরিকল্পিত রাজনৈতিক খেলায় নামলো শাসকদল।
নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তোলা তৃণমূলের এই কৌশল শেষ পর্যন্ত বাংলার মানুষের কাছে কতটা গ্রহণযোগ্য হবে, নাকি এটি কেবলই ‘চোর পালালে বুদ্ধি বাড়ে’র মতো একটি আগাম কৌশল হয়ে থেকে যাবে, তা সময় বলবে।
