Pre-election guidelines
Bengal Liberty, কলকাতা :
পরিবহন , অফ শপের পর এবার নিষেধাজ্ঞার মুখে বহুতল আবাসনগুলি (Pre-election guidelines)। সুষ্ঠ নির্বাচনের স্বার্থে নজিরবিহীন কড়াকড়ি জারি করল নির্বাচন কমিশন। এবারের নির্দেশনা আরও শক্ত ! বহুতল আবাসনে শুধু সংশ্লিষ্ট বিধানসভা কেন্দ্রের ভোটাররাই থাকতে পারবেন, আত্মীয়-স্বজনরাও নয়। অর্থাৎ বাইরে থেকে কেউ এলে, তিনি ওই কেন্দ্রের ভোটার না হলে আবাসনে থাকা চলবে না। কমিশনের নোটিস আসতেই কপালে ভাঁজ পড়েছে বহুতলবাসীদের, মনে জেগেছে হাজারো প্রশ্ন। তবে কোনো অজুহাত মানতে নারাজ কমিশন, যেনতেন প্রকারেই নির্ঝঞ্ঝাট নির্বাচনের লক্ষ্য পূরণে কমিশন (Pre-election guidelines)।

কেন এমন সিদ্ধান্ত ? (Pre-election guidelines)
প্রশাসন সূত্রে খবর, ছাব্বিশের নির্বাচনে বুথের সংখ্যা বাড়ানোর দরুন একাধিক বহুতল আবাসনেই এবার ভোট কেন্দ্র তৈরি করা হয়েছে। সেই কারণেই নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কমিশনের এই কঠোর পদক্ষেপ। কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে, বহিরাগতদের উপস্থিতি ভোট প্রক্রিয়ায় প্রভাব ফেলতে পারে, ব্যাহত হতে পারে নির্বাচনের কাজ। তাই কোনওরকম ঝুঁকি নিতে রাজি নয় প্রশাসন।

আবাসনের বাসিন্দাদের মাথায় দুশ্চিন্তার বোঝা (Pre-election guidelines)
ইতিমধ্যে নির্বাচন কমিশনের নির্দেশ ঘিরে আবাসনগুলিতে রীতিমত চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে। দোকান বন্ধ, গাড়ি বন্ধ মেনে নেওয়া যায় কিন্তু নিজের বাড়িতেও এমন বিধিনিষেধ ! এটাও কি মেনে নেওয়া সম্ভব ? অনেকেই প্রশ্ন তুলেছে – পরিবারের কেউ অন্য শহর বা রাজ্য থেকে এলে, তিনি বা তারা কোথায় থাকবেন? কিন্তু এব্যাপারে কোনো উত্তরই দিতে রাজি হয়নি প্রশাসন বরং তাদের বক্তব্য, নির্বাচন চলাকালীন এই নিয়ম মেনে চলাই বাধ্যতামূলক।

পরিস্থিতি অনেকটা রাজ্যের নিরাপত্তা বনাম ব্যক্তিগত স্বাধীনতা হয়ে দাঁড়িয়েছে – এই দুইয়ের টানাপোড়েনে নতুন করে বিতর্কও দানা বাঁধছে। একাংশের মতে, সুষ্ঠু ভোটের স্বার্থে এমন কড়াকড়ি জরুরি। তবে অন্যদের অভিযোগ, এতে সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনে অযথা বিধিনিষেধ চাপিয়ে দেওয়া হচ্ছে। এতো নিয়মকানুন জনগণের জন্য বোঝা হয়ে দাঁড়াচ্ছে।
রাজ্য জুড়ে বিভিন্ন নিয়মাবলী জারি হচ্ছে। তবে ভোটের আগে কমিশনের এই কঠোর অবস্থান কতটা বাস্তবায়িত হয়, এখন সেদিকেই নজর রাজ্যের সকলের ।
