Kunal Ghosh
Bengal Liberty, ১৫ জুন :
‘ডিম থেরাপি’! সোনারপুরে শুরু হওয়া এই ‘চিকিৎসা পদ্ধতি’ এবার সোজা পৌঁছে গেল কালীঘাটে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ির ঠিক দোরগোড়ায় (Kunal Ghosh)। আর এই প্রোটিন-সমৃদ্ধ থেরাপির সর্বশেষ উপভোক্তা হলেন বেলেঘাটার তৃণমূল বিধায়ক কুণাল ঘোষ! জেড ক্যাটাগরির কড়া নিরাপত্তাকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে সোমবার বিকেলে সাংবাদিকদের ক্যামেরার ঝলকানির মাঝেই কুণালবাবুর মাথা লক্ষ্য করে উড়ে এল ডিম (Kunal Ghosh)।

কালীঘাটে ধুন্ধুমার (Kunal Ghosh)
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ি থেকে সবে বেরিয়ে সাংবাদিকদের বুমের সামনে কুণাল। হয়তো ভেবেছিলেন আগামী দিনের কোনও রাজনৈতিক স্ট্র্যাটেজি নিয়ে দু-চার কথা বলবেন। ঠিক এমন সময় আচমকাই উড়ে এলো কাঁচা ডিম! “অনেক অত্যাচার করেছে” বলে সোজা নিখুঁত নিশানায় ছুড়ে দিল বিধায়কের মাথা লক্ষ্য করে। কুণালবাবু হয়তো প্রথমে বুঝেছিলেন বিক্ষুব্ধ কোনও ব্যক্তির চাল তবে এ চাল নয়, এ একেবারে সরাসরি হেয়ার স্পা’র প্রোটিন প্যাক! হতবাক কুণাল ঘোষ রাগে ফুঁসতে ফুঁসতে ডায়লগ দিলেন, “এক মাঘে শীত যাবে না!” শুধু তাই নয়, প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর জেড ক্যাটাগরি নিরাপত্তার ফাঁক গলে একটা সাধারণ ডিম কীভাবে ভিআইপি জোনে ঢুকে ‘সার্জিক্যাল স্ট্রাইক’ করে গেল, তা নিয়ে রীতিমতো গোয়েন্দা-সুলভ প্রশ্নও তুললেন তিনি। সাম্প্রতিক সময়ে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে শাসকদলের একাধিক নেতা, বিধায়ক বা জনপ্রতিনিধিদের লক্ষ্য করে জনরোষ বা এই ধরনের অনভিপ্রেত হামলার ঘটনা সামনে আসছে। কুণালবাবুর রবিবারের এই ঘটনার পর এলাকার নিরাপত্তা আরও জোরদার করা হয়েছে এবং ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।
অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে দিয়ে যে ট্রেন্ডের শুরু হয়েছিল, তা এখন রাজ্যের এপ্রান্ত থেকে ওপ্রান্তে ছড়িয়ে পড়েছে। তৃণমূলের নেতা, বিধায়ক, চেয়ারম্যান থেকে শুরু করে কাউন্সিলর-উত্তেজিত জনতার হাতের নাগালে এলেই জুটছে এই ‘ডিম থেরাপি’। তবে কুণালবাবুর “এক মাঘে শীত যাবে না” হুঁশিয়ারির পর অনেকেই ভেবেছেন শীত থাক বা যাক, বাজারে অন্তত পোলট্রির ডিমের জোগানটা যেন ঠিক থাকে!



