Kunal Ghosh
Bengal Liberty : সাত সকালে সোশ্যাল মিডিয়ায় অপমান করে বেলা গড়াতেই বিধানসভার অন্দরে তাঁদেরই আসনে গিয়ে বসলেন বেলেঘাটার বিধায়ক (Kunal Ghosh)। কুণালের বৈঠকে কালীঘাট তৃণমূলের সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বিদ্রোহী বিধায়কদের উদ্দেশ্য করে বলেছিলেন, ” না ঘরকা না ঘাটকা।” নেত্রীর সেই বক্তব্যকেই ধ্রুব সত্য প্রমাণিত করতে মরিয়া কুণাল (Kunal Ghosh)! তৃণমূলের অন্দরের কর্মকাণ্ড কার্যত লীলা বোঝা ভার! তৃণমূলের বিধায়কদের এই কার্যকলাপেই বিরক্ত অপর তৃণমূল বিধায়ক গোলাম রব্বানী। বক্তব্যের মাঝে বলে ওঠেন, “উফফ”! বিধানসভায় তৃণমূলের এই কার্যকলাপে হেসে লুটোপুটি খেলেন শুভেন্দু অধিকারী। তৃণমূলের বিদ্রোহী বিধায়কদের এবং বিশেষ করে কালীঘাটের তৃনমূলের কুণালের পদক্ষেপে একটাই প্রশ্ন আসছে, হচ্ছেটা কী?

ঘটনার বিবরণ (Kunal Ghosh)
এদিন সকালেই বেলেঘাটার বিধায়ক একটি ফেসবুক পোস্টে বিদ্রোহী বিধায়কদের “দলের অন্দরের জঞ্জাল” বলে তোপ দেগেছেন। আবার বেলা গড়িয়ে দুপুর হতেই বিধানসভার অন্দরে গিয়ে সেই বিদ্রোহী বিধায়কদের আসনে গিয়ে বসলেন বেলেঘাটার বিধায়ক। দেখা যায়, আলোচনায় কক্ষেই ববি হাকিম, জাহেদ খান, আখতারুজ্জামানের সঙ্গে আলোচনা মশগুল কুণাল ঘোষ। বিধায়কদের আলোচনার কারণে বক্তা তৃণমূলের বিদ্রোহী বিধায়ক গোলাম রব্বানীর বক্তৃতা করতে সমস্যা হয়। বারবার থেমে বিরক্ত প্রকাশ করেন তিনি। অবশেষে বক্তব্য রাখা কালীন কিছুটা বিরক্ত হয়ে ‘ উফফ ‘ করে বসলেন গোলাম রাব্বানী। শেষে কুণাল উঠে যান তাঁর নিজের জায়গায়। বিধানসভায় এই কর্মকাণ্ড দেখেই হেসে লুটোপুটি খান মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।
উল্লেখ্য, ইতিমধ্যেই ৫৮ জন বিদ্রোহী বিধায়কের স্বাক্ষর নিয়ে বিরোধী দলনেতা হয়েছেন ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। তারপর থেকে একনাগাড়ে তাঁদের তীব্র আক্রমণে মশগুল মমতার ছায়াসঙ্গী তথা কালীঘাট তৃণমূলের বিশ্বস্ত বিধায়ক কুণাল ঘোষ। সোশ্যাল মিডিয়ায় অবিরাম পোস্টার পাশাপশি একযোগে তীব্র আক্রমণে করেছেন তিনি অবশেষে এদিন বিধানসভায় ববি হাকিমের পাশাপশি তাঁকেও বিদ্রোহী দলের বিধায়কদের সাথে মিশে যেতে দেখা গেল। এই আসন বদল শুধুই আসন বদলে সীমাবদ্ধ থাকে কিনা তাই এখন দেখার।



