TMC Crisis
Bengal Liberty: ভোট পরবর্তী হিংসা ও লাগাতার রাজনৈতিক চাপের মুখে তৃণমূল কংগ্রেসের অন্দরে এখন চরম অস্থিরতা। একদিকে দলের একাংশ বিধায়ক-সাংসদ নেতৃত্বের বিরুদ্ধেই বিদ্রোহ ঘোষণা করেছেন, অন্যদিকে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার চাপে দিশেহারা দলের শীর্ষ নেতৃত্ব। এই পরিস্থিতিতে কর্মীদের ধরে রাখতে মরিয়া হয়ে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় নতুন কর্মসূচি ‘এক ডাকে অভিষেক’-এর ঘোষণা করেছেন।

রাজনৈতিক মহলের পর্যবেক্ষণ (TMC Crisis)
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, দীর্ঘদিন কর্মীদের পাশে না দাঁড়িয়ে এখন চাপের মুখে পড়ে এই হেল্পলাইন চালু করা কেবল লোক দেখানো উদ্যোগ ছাড়া আর কিছুই নয়। দলের নিচুতলার কর্মীদের মধ্যে যে ক্ষোভ দানা বেঁধেছে, তা ঢাকতেই এই মরিয়া চেষ্টা বলে মনে করা হচ্ছে। কর্মীদের বড় অংশের দাবি, দুর্দিনে যাঁদের পাশে পাওয়ার কথা ছিল, সেই নেতৃত্বকে তখন দেখা যায়নি। তাই এই উদ্যোগকে দলের আসন্ন ভরাডুবি আটকানোর এক ব্যর্থ কৌশল হিসেবেই দেখছেন অনেকে।

দলের অন্দরেই প্রশ্ন (TMC Crisis)
দলের অভ্যন্তরীণ সমীকরণ যেভাবে দ্রুত পরিবর্তিত হচ্ছে, তাতে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ওপর কর্মীদের আস্থা যে তলানিতে এসে ঠেকেছে, তা স্পষ্ট। অনেক কর্মীই প্রকাশ্যে প্রশ্ন তুলছেন, “এতদিন কোথায় ছিলেন নেতৃত্ব?” ঘরছাড়া কর্মীদের আইনি সহায়তার নামে এই কর্মসূচি দলের ভাঙন আটকাতে কতটা কার্যকর হবে, তা নিয়ে যথেষ্ট সন্দেহ রয়েছে। সব মিলিয়ে চরম রাজনৈতিক চাপ এবং নিজেদের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখার লড়াইয়ে তৃণমূল নেতৃত্ব যে দিশেহারা, এই নতুন কর্মসূচিতেই তার প্রমাণ মিলছে।


