Khamenei Funeral
Bengal Liberty
ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা(Khamenei Funeral) আয়াতুল্লাহ আলী খামেনেইর মৃত্যুর ১২৬ দিন পর তেহরানে তাঁর রাষ্ট্রীয় অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ার আয়োজন করা হয়েছে। তেহরানের কেন্দ্রস্থলে অবস্থিত ‘ইমাম খোমেনি গ্র্যান্ড মোসাল্লা কমপ্লেক্সে’ প্রয়াত এই নেতার রাষ্ট্রীয় শোকানুষ্ঠান চলছে। সেখানে তাঁর প্রতি শেষ শ্রদ্ধা জানাতে সমবেত হয়েছেন লাখো মানুষ।


উপস্থিত আছেন খামেনেইর তিন ছেলে, ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান, পার্লামেন্টের স্পিকার মোহাম্মদ বাকের গালিবফ এবং ইসলামিক রেভোলিউশনারি গার্ড কর্পসের (আইআরজিসি) কমান্ডার-ইন-চিফ। তবে এই রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে খামেনেইর পরিবারের প্রায় সবাই উপস্থিত থাকলেও দেখা যায়নি তাঁর উত্তরসূরি হিসেবে আলোচিত ছেলে মোজতবা খামেনেইকে। তাঁর এই অনুপস্থিতি ঘিরে ইতিমধ্যেই নানা মহলে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছেতিনি কি আদৌ জীবিত আছেন, নাকি অন্য কোনো বিশেষ কারণে জনসমক্ষে আসছেন না? এই রহস্যকে কেন্দ্র করে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।
নিরাপত্তা ঝুঁকি ও নানামুখী আশঙ্কা(Khamenei Funeral)
সূত্রের খবর, তীব্র নিরাপত্তা ঝুঁকি ও ইসরায়েলি বিমান হামলার আশঙ্কার কারণেই মোজতবা খামেনেই তাঁর বাবার জানাজা বা শেষকৃত্যের মতো বড় জনসমাগমে যোগ দেননি। ইরানের গোয়েন্দা সংস্থা ও নিরাপত্তা কর্মকর্তাদের আশঙ্কা, মোজতবা জনসমক্ষে এলে ইসরায়েল আধুনিক ট্র্যাকিং প্রযুক্তি ব্যবহার করে তাঁর গোপন অবস্থান শনাক্ত করে ফেলতে পারে। এমনকি তাঁকে লক্ষ্য করে সুনির্দিষ্ট বিমান বা ক্ষেপণাস্ত্র হামলাও চালানো হতে পারে।
আরো পড়ুন:-
Hand of God: হ্যান্ড অফ গড’ অধ্যায়ের ইতি টানলেন ইংল্যান্ডের প্রাক্তন গোলরক্ষক!


এদিকে স্থানীয় সূত্রগুলোর একাংশের দাবি, যে বিমান হামলায় আলী খামেনেই নিহত হয়েছিলেন, সেই একই হামলায় মোজতবা খামেনেই নিজেও গুরুতর আহত হন। এরপর থেকে তিনি এখনো পুরোপুরি সুস্থ হয়ে উঠতে পারেননি এবং সে কারণেই জনসমক্ষে আসছেন না। মোজতবার এই রহস্যময় অনুপস্থিতি এবং মধ্যপ্রাচ্যের বর্তমান ভূরাজনীতিকে কেন্দ্র করে এই অঞ্চলের পরিস্থিতি নতুন করে উত্তপ্ত হয়ে উঠবে কি না, তা নিয়ে জোর গুঞ্জন চলছে।

