TMC
Bengal Liberty: তৃণমূল কংগ্রেসের ভবিষ্যৎ, দলের নির্বাচনী প্রতীক এবং সাংগঠনিক নিয়ন্ত্রণ— এই তিনটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নের জবাব খুঁজতে সোমবার নির্বাচন কমিশনের দ্বারস্থ হচ্ছে দলের দুই প্রতিদ্বন্দ্বী শিবির। একদিকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন ‘কালীঘাট তৃণমূল’, অন্যদিকে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন বিদ্রোহী শিবির। ফলে দিল্লিতে নির্বাচন কমিশনের এই শুনানিকে ঘিরে ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক চাপানউতোর তুঙ্গে উঠেছে।

জোড়া শিবিরের লড়াই এবার দিল্লিতে (TMC Symbol Row)
সূত্রের খবর, কালীঘাট শিবিরের হয়ে দলের অবস্থান তুলে ধরতে ইতিমধ্যেই দিল্লি পৌঁছেছেন ডেরেক ও’ব্রায়েন। পাশাপাশি, ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিবিরও সাংগঠনিক সমর্থন, দলীয় নথিপত্র এবং প্রয়োজনীয় তথ্যপ্রমাণ নিয়ে সম্পূর্ণ প্রস্তুত। নির্বাচন কমিশনের সামনে দুই পক্ষই নিজেদের ‘প্রকৃত তৃণমূল কংগ্রেস’ হিসেবে স্বীকৃতি দাবি করবে। এই শুনানিতে দলের নির্বাচনী প্রতীক, দলীয় তহবিল এবং সাংগঠনিক নিয়ন্ত্রণের বিষয়টি বিশেষ গুরুত্ব পেতে চলেছে।

সম্প্রতি একটি ফেসবুক লাইভে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় প্রতীক হারানোর সম্ভাবনার ইঙ্গিত দিয়ে বলেছিলেন, “নির্বাচনী প্রতীক চলে গেলেও মানুষের হৃদয়ে থাকা প্রতীক কেউ কেড়ে নিতে পারবে না।” অন্যদিকে, ঋতব্রত শিবিরের দাবি— তাদের কাছে সংখ্যাগরিষ্ঠের সমর্থন এবং প্রয়োজনীয় নথিপত্র রয়েছে, যা তারা কমিশনের সামনে পেশ করবে।

এখন চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নির্বাচন কমিশনের হাতে। দুই পক্ষের বক্তব্য, নথিপত্র এবং আইনি অবস্থান খতিয়ে দেখে কমিশনই ঠিক করবে কোন শিবির প্রকৃত তৃণমূল হিসেবে স্বীকৃতি পাবে এবং কার দখলে থাকবে দলের প্রতীক ও সাংগঠনিক অধিকার।

