Baruipur Case
Bengal Liberty:
বারুইপুরের সূর্যপুরে নাবালিকা গণধর্ষণ ও খুনের ঘটনায় তদন্তে আরও এক ধাপ এগোল পুলিশ। মঙ্গলবার এই মামলায় আনন্দ সর্দার নামে আরও এক অভিযুক্তকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বুধবার তাকে বারুইপুর আদালতে তোলা হবে বলে পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে (Baruipur Case)। এর আগে এই ঘটনায় গ্রেফতার হওয়া প্রভাস মণ্ডল এবং দিবাকর সরদারকে মঙ্গলবার বারুইপুর আদালতে পেশ করা হয়। শুনানির সময় সরকারি আইনজীবী আদালতে জানান, এটি অত্যন্ত স্পর্শকাতর ও গুরুত্বপূর্ণ মামলা। তদন্তের স্বার্থে এখনও একাধিক বৈজ্ঞানিক পরীক্ষা, নমুনা সংগ্রহ এবং গুরুত্বপূর্ণ তথ্যপ্রমাণ যাচাই করা বাকি রয়েছে। পাশাপাশি, তথ্য-প্রমাণ নষ্ট হওয়ার আশঙ্কার কথাও উল্লেখ করে দুই অভিযুক্তকে ১৪ দিনের পুলিশ হেফাজতে নেওয়ার আবেদন জানানো হয়।

একাধিক মামলা রুজু হয়েছে Baruipur Case
তবে মামলায় পকসো আইন যুক্ত থাকায় শুনানির এক্তিয়ার নিয়ে আদালতে আইনি প্রশ্ন ওঠে। পাশাপাশি অভিযুক্তদের পক্ষে এদিন কোনও আইনজীবী উপস্থিত না থাকায় আদালত বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে নির্দেশ আপাতত সংরক্ষিত রেখেছে। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রথমে নাবালিকাকে অপহরণের অভিযোগে মামলা রুজু হয়। তদন্তে নেমে পুলিশ প্রথমে প্রভাস মণ্ডলকে গ্রেফতার করে। জিজ্ঞাসাবাদের ভিত্তিতেই নাবালিকার দেহ উদ্ধার হয় বলে তদন্তকারীদের দাবি। এরপর তদন্তের অগ্রগতিতে দিবাকর সর্দারকে গ্রেফতার করা হয় এবং মঙ্গলবার ধরা পড়ে তৃতীয় অভিযুক্ত আনন্দ সর্দার।
এই মামলায় ভারতীয় ন্যায় সংহিতার ধারা ৬৫ (ধর্ষণ), ৭০(২) (গণধর্ষণ), ১০৩(১) (খুন), ২৩৮ (তথ্য-প্রমাণ লোপাট), ৬১ (অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র)-সহ পকসো আইনের ধারা ৬ এবং ধারা ১৩৭(২) ও ১৪০(২) অনুযায়ী নাবালিকাকে অপহরণের অভিযোগও যুক্ত করা হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, মামলার তদন্ত অব্যাহত রয়েছে এবং ঘটনার সঙ্গে জড়িত প্রত্যেককে আইনের আওতায় আনার চেষ্টা চলছে।
বিচারের আশায় রয়েছে নির্যাতিতার পরিবার। অভিযুক্তদের চরম শাস্তির দাবি করেছেন তারা। পরিস্থিতি কোন দিকে মোড় নিচ্ছে সেদিকেই নজর।

