Baruipur Crime
Bengal Liberty:
বারুইপুরে নাবালিকাকে ধর্ষণ ও খুনের ঘটনায় রবিবার দিনভর উত্তাল হলো এলাকা। দফায় দফায় উত্তেজনা, রাস্তা-রেল অবরোধ করেন স্থানীয় বাসিন্দারা (Baruipur Case)। দোষীদের গ্রেফতারি ও শাস্তির দাবিতে অবরোধ করেন স্থানীয়রা। বারুইপুরের ঘটনায় নির্যাতিতার বাবার সঙ্গে কথা বললেন মুখ্যমন্ত্রী। ঘটনায় ৪ জন অভিযুক্ত বলে দাবি স্থানীয়দের। তাদের মধ্যে দুজন পলাতক এবং এক যুবককে অভিযুক্ত সন্দেহে গণপিটুনি দিয়ে হত্যা করা হয়। এর মাঝেই এ দিন বিকেলে নিহত নাবালিকার বাবার সঙ্গে ফোনে কথা বলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। মৃতের পরিবারকে আগামী মঙ্গলবার নবান্নে আসার জন্য জানিয়েছেন বলে সূত্রে খবর।

চব্বিশ ঘন্টা পর মমতার ফোন নাবালিকার পরিবারকে
শনিবার বিকেলে ঘটনাটি ঘটে বারুইপুর এলাকায়। চব্বিশ ঘন্টা কেটে যাওয়ার পরেও খবর নেওয়ার সময় পায়নি প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এমনকি দেখা করতে যাবেন ভেবেছিলেন কিন্তু যাওয়ার সময় পায়নি প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী। কিন্তু নির্যাতিতার পরিবারের সঙ্গে শুভেন্দুর কথা হয়েছে শুনে তড়িঘড়ি মেয়েটির বাবার সঙ্গে কথা বললেন মমতা। এরপরই রাজনৈতিক মহলে প্রশ্ন উঠেছে, ঘটনার প্রায় ২৪ ঘণ্টা কেটে যাওয়ার পর কেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা সক্রিয় হলেন? এত বড় ঘটনার পরও তিনি প্রথম একদিন পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে যাননি বা যোগাযোগ করেননি? অভিযোগ, মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু নিহতের পরিবারের সঙ্গে কথা বলার পরই বিষয়টি নিয়ে তৎপরতা দেখাতে শুরু করেন মমতা।

অপরদিকে পুলিশে বাড়ি ঘিরে ফেলার অজুহাত টানলেন মমতা ঘনিষ্ঠ দোলা সেন। দোলা জানিয়েছেন, ” মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ভেবেছিলেন যাবেন বারুইপুরে পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে, কিন্তু দিদিকে নজরবন্দি করে রাখা হয়ে হয়েছে। বারুইপুরের ছোট বাচ্চাটির উপরে যে অত্যাচার হয়েছে সেটা শুনে উনি চুপ করে বসে থাকতে পারেন? উনি যাওয়ার আগেই পুলিশ পুরো এলাকা ঘিরে ফেলেছে। ”
তবে এই ব্যাখ্যা মানতে নারাজ বিরোধীরা। তাঁদের বক্তব্য, যদি সত্যিই যাওয়ার ইচ্ছা থাকত, তাহলে ঘটনার পরে চব্বিশ ঘন্টা সেই সুযোগ ছিল। পুলিশ রাতে বাড়ি ঘিরে রাখার আগেই তিনি যেতে পারতেন। ফলে পুলিশি বাধার যুক্তি আসলে পরবর্তী সময়ে দেওয়া একটি অজুহাত বলেই বিরোধীদের অভিযোগ। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে প্রশাসনের ভূমিকার অজুহাত নিয়ে নতুন বিতর্ক তৈরি হয়েছে রাজনৈতিক মহলে।

