China Missile Test
Bengal Liberty
দ্বিতীয়বারের মতো(China Missile Test) একই কায়দায় দক্ষিণ প্রশান্ত মহাসাগরে পারমাণবিক সক্ষমতাসম্পন্ন সাবমেরিন থেকে একটি দূরপাল্লার ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ করেছে চীন।

শান্তি বিঘ্নিত হওয়ার আশঙ্কা(China Missile Test)
নিয়মিত বা সাধারণ সামরিক ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষার কথা বলা হলেও বেইজিংয়ের এই পদক্ষেপটি ঘিরে তীব্র সমালোচনা শুরু হয়েছে। অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড ও জাপানের মতো রাষ্ট্রগুলো চীনের এই পদক্ষেপের তীব্র নিন্দা জানিয়েছে। তাদের মতে, এ ধরনের ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষার কারণে ওই অঞ্চলের শান্তি ও স্থিতিশীলতা বিঘ্নিত হতে পারে। একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক মহলেও একটি নেতিবাচক বার্তা যাওয়ার প্রবল আশঙ্কা রয়েছে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে তিনটিদেশের ভিন্ন ভিন্ন প্রতিক্রিয়া সামনে এসেছে

অস্ট্রেলিয়া(China Missile Test)
ক্যানবেরা সতর্ক করে বলেছে যে, চীন অত্যন্ত দ্রুত গতিতে তাদের সামরিক সক্ষমতা বাড়িয়ে চলেছে, অথচ এই পুরো কার্যক্রমে চরম স্বচ্ছতার অভাব রয়েছে।
নিউজিল্যান্ড(China Missile Test)
ওয়েলিংটন এই পরীক্ষাটিকে “অনাকাঙ্ক্ষিত ও উদ্বেগজনক” বলে অভিহিত করেছে। দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী উইনস্টন পিটার্স জানিয়েছেন, দক্ষিণ প্রশান্ত মহাসাগরকে চীন ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষার ক্ষেত্র হিসেবে ব্যবহার করুক—তা তারা কোনোভাবেই চান না।
জাপান(China Missile Test)
চীন আগেভাগে নোটিশ দিলেও, জাপান এই ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণের বিষয়ে বেইজিংকে তাদের কার্যক্রম পুনর্বিবেচনা করার জন্য জোরালো আহ্বান জানিয়েছিল। টোকিও কোনো মতেই চীনের এই পদক্ষেপকে সমর্থন করেনি।
আরো পড়ুন:-
Baruipur case: বারুইপুর ঘটনায় আনন্দ সর্দার সহ আরও ৩ জনকে গ্রেফতার পুলিশের
আগেও হয়েছে ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা(China Missile Test)
২০২৪ সালের সেপ্টেম্বর মাসে প্রশান্ত মহাসাগরে একটি আন্তঃমহাদেশীয় ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র (ICBM) পরীক্ষার পর এটি বেইজিংয়ের দ্বিতীয় বড় কৌশলগত ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা। এর আগে ১৯৮০ সালের পর চীন আর কখনো মহাসাগরের এই অংশে এমন কোনো পরীক্ষা চালায়নি। কোনো বিশেষ বার্তা? চলমান বৈশ্বিক উত্তেজনার মধ্যে ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষার মাধ্যমে বেইজিং আন্তর্জাতিক মহলে কোনো বিশেষ বার্তা দিতে চাইছে কি না, তা নিয়ে নতুন করে ভূ-রাজনীতি উত্তপ্ত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

