Russia Strikes Kyiv
Bengal Liberty
রাশিয়ার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ(Russia Strikes Kyiv) দুটি শহরের তেল শোধনাগারে ব্যাপক হামলা চালিয়েছিল ইউক্রেন; বাদ যায়নি দেশটির রাজধানী মস্কোও। ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্রের সাহায্যে ইউক্রেনের সেই হামলার পর, এবার ন্যাটো শীর্ষ সম্মেলনের ঠিক আগে ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভ অঞ্চলে ব্যালিস্টিক মিসাইল ও ড্রোন দিয়ে পাল্টা ভয়াবহ হামলা চালিয়েছে রাশিয়া।

লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে মৃত্যুর সংখ্যা(Russia Strikes Kyiv)
এই হামলায় এখন পর্যন্ত ১২ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। একই সাথে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে আহতের সংখ্যাও। সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, ৪৬ জনেরও বেশি মানুষ আহত হয়েছেন। রাশিয়ার এই হামলায় বেশ কয়েকটি আবাসিক ভবন মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকদের মতে, নিজেদের তেল শোধনাগারে হামলার প্রতিশোধ নিতেই রাশিয়া এই পাল্টা আঘাত হেনেছে।

আক্রমণের ধরন(Russia Strikes Kyiv)
রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, তারা দূরপাল্লার অস্ত্র এবং ড্রোন ব্যবহার করে এই “ব্যাপক আক্রমণ” চালিয়েছে। এই হামলায় কয়েকশ ড্রোন এবং বেশ কিছু ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করা হয়েছে।
ক্ষয়ক্ষতি(Russia Strikes Kyiv)
কিয়েভের মেয়র ভিতালি ক্লিচকো জানিয়েছেন, আবাসিক ভবনগুলোকে লক্ষ্য করে এই আঘাত হানা হয়েছে। হামলার ফলে অন্তত চারটি স্থানে বড় ধরনের অগ্নিকাণ্ডের সৃষ্টি হয়। কিয়েভ শহরের পাশাপাশি বুচা জেলাতেও একজন নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।
আরো পড়ুন:-
Baruipur case: বারুইপুরের ঘটনায় গ্রেফতার প্রধান অভিযুক্ত আনন্দ সরদার
রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট ও নতুন সমীকরণ(Russia Strikes Kyiv)
তাৎপর্যপূর্ণ বিষয় হলো, এই হামলাটি ন্যাটোর শীর্ষ সম্মেলনের ঠিক প্রাক্কালে চালানো হলো। সূত্র মারফত জানা গেছে, মার্কিন রাষ্ট্রপতি ডোনাল্ড ট্রাম্প, রাশিয়ার রাষ্ট্রপতি ভ্লাদিমির পুতিন ও ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির এক টেবিলে বসে এই যুদ্ধ-সংকট নিয়ে আলোচনা করার কথা ছিল। এমনকি একটি যুদ্ধবিরতি চুক্তিতে স্বাক্ষর নিয়েও জোর জল্পনা চলছিল। এর আগে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রকাশ্যে দাবি করেছিলেন, “রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে আমি মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা পালন করে একটি সঠিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ করব; যেমনটা আমি ভারত-পাকিস্তান সংকট নিয়ে করতে চেয়েছিলাম।”

এই দাবি প্রকাশ্যে আসার পরপরই ইউক্রেনের ওপর হামলা চালিয়ে রাশিয়ার রাষ্ট্রপতি পুতিন যেন বুঝিয়ে দিলেন—তাঁরা আমেরিকার কোনো ধরনের আধিপত্য বা হস্তক্ষেপ মেনে নেবেন না। ট্রাম্পের এই মধ্যস্থতার প্রয়াসে পুতিন যে একেবারেই রাজি নন, তা স্পষ্ট। আর সেই কারণেই কি ইউক্রেনের রাজধানীতে এই জোরদার হামলা চালিয়ে বার্তা দেওয়া হলো যে, যুদ্ধের নিষ্পত্তি এখনই সম্ভব নয়? যুদ্ধের এই নতুন সমীকরণকে ঘিরেই এখন আন্তর্জাতিক মহলে আলোচনা-সমালোচনা তুঙ্গে। বিশ্বজুড়ে এখন নতুন করে যুদ্ধের আবহ তৈরি হওয়ায় উদ্বেগের ভাঁজ পড়েছে আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক মহলে।

