Suvendu Adhikari
Bengal Liberty
রেজিনগরের জনসভা থেকে মুর্শিদাবাদের উন্নয়ন, নারী নিরাপত্তা, অনুপ্রবেশ(Suvendu Adhikari) রোধ এবং কর্মসংস্থান নিয়ে একাধিক বড় ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। পরিযায়ী শ্রমিকদের ঘরে ফেরানো থেকে শুরু করে অনুপ্রবেশের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতির কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, মুর্শিদাবাদের মানুষের নিরাপত্তা ও জেলার ঐতিহ্য রক্ষায় তাঁর সরকার বদ্ধপরিকর।

জনসভায় মুখ্যমন্ত্রী অভিযোগ(Suvendu Adhikari)
জনসভায় মুখ্যমন্ত্রী অভিযোগ করেন, পূর্ববর্তী সরকার সাধারণ মানুষকে বিভ্রান্ত করেছে। তাঁর দাবি, সিএএ (CAA)-কে এনআরসি (NRC) বলে প্রচার করে সাধারণ মানুষের মধ্যে অযথা আতঙ্ক ছড়ানো হয়েছিল। তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দেন, আর কোনোভাবেই মুর্শিদাবাদকে অবহেলা করা হবে না।
উন্নয়নের রূপরেখা তুলে ধরে মুখ্যমন্ত্রী জানান, রেজিনগর ও নওদা অঞ্চলের পেঁয়াজ চাষিদের সুবিধার জন্য বিশেষ হিমঘর তৈরি করা হবে। পাশাপাশি নতুন সেতু নির্মাণ, মুর্শিদাবাদ মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে আরও চিকিৎসক ও নার্স নিয়োগ করে স্বাস্থ্য পরিষেবার উন্নতি, স্কুল-কলেজে শিক্ষক নিয়োগ, সাধারণ মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ বৃদ্ধি, ১২৫ দিনের কাজ, অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার প্রকল্পের সম্প্রসারণ এবং মহিলা থানাসহ একাধিক উন্নয়নমূলক প্রকল্পের প্রতিশ্রুতি দেন তিনি।


নারী নিরাপত্তা নিয়েও কড়া অবস্থান নেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, জেলার প্রতিটি থানায় মহিলা সুরক্ষা ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করা হবে, যাতে নারীরা নিরাপদ পরিবেশে বসবাস করতে পারেন। সামনেই রেজিনগর বিধানসভা কেন্দ্রের উপনির্বাচন। সেই প্রসঙ্গ টেনে মুখ্যমন্ত্রী সমর্থকদের উদ্দেশে বলেন, “এখনও আমাদের ২০৭ জন বিধায়ক আছেন। নন্দীগ্রামে একটি, আর রেজিনগরে একটি—তাহলে ২০৯ হবে তো?” তাঁর এই মন্তব্যে উপস্থিত কর্মীদের মধ্যে তুমুল উচ্ছ্বাস দেখা যায়। রাজনৈতিক মহলের মতে, উপনির্বাচনকে সামনে রেখেই এই সমস্ত উন্নয়নমূলক ঘোষণা এবং রাজনৈতিক বার্তা দেওয়া হয়েছে।
সভার শেষে উপস্থিত জনতার উদ্দেশে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “সকলে অনেক দূর থেকে এসেছেন। তাই বাড়ি ফেরার সময় যেন সবাই সাবধানে যান এবং নিরাপদে বাড়ি পৌঁছান।”

