Third Gender
Bengal Liberty : বাংলাদেশি অনুপ্রবেশের ইস্যুতে এবার এক বিস্ফোরক অভিযোগ সামনে আনল একটি বৃহন্নলা সংগঠন (Third Gender)। শনিবার কলকাতা প্রেস ক্লাবে আয়োজিত এক সাংবাদিক বৈঠকে সংগঠনের সদস্যরা অভিযোগ করেন, দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারী পুরুষদের বেছে এনে অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে তৃতীয় লিঙ্গে পরিণত করার কাজ করত তৃণমূল। অভিযোগ, এরপর তাঁদের কলকাতার চেতলা, তারাতলা, নিউ আলিপুর ও বিষ্ণুপুর-সহ একাধিক এলাকায় সাধারণ মানুষের কাছ থেকে টাকা তোলার কাজে নামানো হতো। সেখান থেকে ফিরহাদ (ববি) হাকিমের নির্দেশে প্রতি মাসে প্রায় ১০ লক্ষ টাকা তুলত ওই অনুপ্রবেশকারীরা। সংগঠনের আরও অভিযোগ, এই পুরো চক্রটি চলত তৃণমূলের রাজনৈতিক মদতে। তাঁদের দাবি, সাধারণ মানুষের কাছ থেকে আদায় করা টাকার একটি বড় অংশ বিভিন্ন স্তর ঘুরে শেষ পর্যন্ত পৌঁছাত তৃণমূলের প্রভাবশালী নেতা তথা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভাই কার্তিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়িতে (Third Gender)।

সামাজিক সম্মানে আঘাত ও হুমকি (Third Gender)
বৃহন্নলা সংগঠনের দাবি, তৃণমূলের এই কর্মকাণ্ডের জেরে প্রকৃত তৃতীয় লিঙ্গের মানুষদের সামাজিক সম্মান ও জীবিকা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। নকল বৃহন্নলাদের দুর্ব্যবহারের কারণে সাধারণ মানুষের ক্ষোভের মুখে পড়তে হচ্ছে প্রকৃত বৃহন্নলা সম্প্রদায়কে। এমনকি এই ঘটনার প্রতিবাদ করায় তাঁদের এবং তাঁদের পরিবারের সদস্যদের হুমকি ও অত্যাচারের মুখে পড়তে হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন সংগঠনের প্রতিনিধিরা।
সংগঠনের বক্তব্য, রাজ্যে পরিবর্তনের পর তাঁরা ন্যায়বিচারের আশা করছেন। তাঁদের দাবি, এই অভিযোগগুলির পূর্ণাঙ্গ তদন্ত করে দোষীদের চিহ্নিত করা হোক এবং কঠোর শাস্তি দেওয়া হোক, যাতে প্রকৃত তৃতীয় লিঙ্গের মানুষ মর্যাদার সঙ্গে জীবিকা নির্বাহ করতে পারেন।

এই ঘটনাই আরও একবার প্রমাণ করল, তৃণমূল সুপ্রিমো কেন বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীদের এত মদত দিতেন এবং কেন বারবার পশ্চিমবঙ্গকে অনুপ্রবেশকারী-মুক্ত করার পদক্ষেপ থেকে দূরে সরিয়ে রাখতে চেয়েছিলেন। এই অভিযোগ যদি সত্যি প্রমাণিত হয়, তবে তা সাধারণ মানুষের শিরদাঁড়া দিয়ে ঠান্ডা স্রোত বইয়ে দেওয়ার মতো ঘটনা হবে এবং পশ্চিমবঙ্গের ইতিহাসে এক কালো অধ্যায় হিসেবে চিহ্নিত হয়ে থাকবে।

আরও পড়ুন :
Nirmal Ghosh : বেপাত্তা নির্মল ঘোষের হঠাৎ উদয় ঋতব্রতর বৈঠকে!

