Asansol TMC
Bengal Liberty: ২১ জুলাইয়ের শহিদ দিবসকে সামনে রেখে আসানসোলে কালীঘাট তৃণমূল কংগ্রেসের প্রস্তুতি বৈঠক ঘিরে তীব্র রাজনৈতিক বিতর্ক তৈরি হয়েছে। শহরের একটি হোটেলে আয়োজিত এই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন প্রাক্তন মেয়র বিধান উপাধ্যায়, অভিজিৎ ঘটক, ওয়াসিমুল হক ও নরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী-সহ দলের একঝাঁক নেতা। প্রস্তুতি সভায় কলকাতার সমাবেশে যোগ দেওয়ার জন্য ৫০টি বাস ও ১৫০টি ছোট গাড়ি নিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন নরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী।

নেতাদের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ (Asansol TMC)
বৈঠক শেষ হতে না হতেই কালীঘাট তৃণমূলপন্থী রাজ্য সম্পাদক ভি. শিবদাসন দাশু উপস্থিত নেতাদের বিরুদ্ধে সরাসরি দুর্নীতি ও লুটপাটের অভিযোগ তুলেছেন। তাঁর দাবি, গত পাঁচ বছরে আসানসোল পুরনিগম ও পঞ্চায়েত এলাকায় ব্যাপক দুর্নীতি হয়েছে। দাশু স্পষ্ট জানিয়েছেন, তিনি রাজ্যের মন্ত্রী তথা বিধায়ক অগ্নিমিত্রা পালের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে এই দুর্নীতির অভিযোগগুলির নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানাবেন। এছাড়া ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধেও আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ তুলে তদন্তের দাবি জানিয়েছেন তিনি। তিনি আরও কটাক্ষ করেন যে, মলয় ঘটক কালীঘাট তৃণমূলে থাকলেও তাঁর ভাই অভিজিৎ ঘটক রয়েছেন ঋতব্রত তৃণমূলে, যা দলের বিভাজনকে স্পষ্ট করে।

বিজেপির কটাক্ষ (Asansol TMC)
তৃণমূলের এই গোষ্ঠীদ্বন্দ্বকে কেন্দ্র করে আসানসোলের বিজেপি বিধায়ক কৃষ্ণেন্দু মুখোপাধ্যায় দাবি করেছেন, মানুষ তৃণমূলের কোনো গোষ্ঠীকেই আর গুরুত্ব দেয় না। প্রাক্তন মেয়র তথা বিজেপি বিধায়ক জিতেন্দ্র তেওয়ারিও তৃণমূলকে আক্রমণ করে বলেন, এরা সবাই দুর্নীতিগ্রস্ত এবং আসানসোলের টাকা লুট করেছে। তিনি সাধারণ মানুষের কাছে এই লুণ্ঠিত অর্থ আদায়ের দাবি জানিয়েছেন এবং আগামী ২৫ বছর বিজেপিই আসানসোলের প্রধান শক্তি হিসেবে থাকবে বলে হুঙ্কার দিয়েছেন।

