TMC Leader
Bengal Liberty : চাকরি বিক্রির চক্রের মূলহোতা হিসেবে ধৃত পুরুলিয়ার এক প্রভাবশালী তৃণমূল নেতার বাড়িতে পুলিশি অভিযানে উদ্ধার হয়েছে চাঞ্চল্যকর সব প্রমাণ (TMC Leader)। রেলওয়ে রিক্রুটমেন্ট বোর্ড এবং পাবলিক সার্ভিস কমিশনের ভুয়ো গোল স্ট্যাম্প থেকে শুরু করে একটি অবৈধ পিস্তল ও দুই রাউন্ড গুলি জব্দের ঘটনায় তীব্র শোরগোল শুরু হয়েছে। প্রতারণার জাল কতদূর বিস্তৃত ছিল, এই উদ্ধারকার্য তার এক ভয়াবহ চিত্র তুলে ধরেছে (TMC Leader)।

ভুয়ো নিয়োগের জাল ও অস্ত্রের সাম্রাজ্য (TMC Leader)
চাকরি দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে সাধারণ মানুষের সঙ্গে প্রতারণার অভিযোগে দিন দশেক আগে গ্রেফতার হওয়া তৃণমূল কংগ্রেসের সংখ্যালঘু সেলের পুরুলিয়া জেলা সভাপতি সাদ্দাম হোসেন আনসারীকে নিয়ে তাঁর আদ্রা থানার অন্তর্গত বাড়িতে গত রাতে তল্লাশিতে নামে রঘুনাথপুর থানার পুলিশ। পুলিশি হেফাজতে থাকা ওই নেতার বাড়িতে ম্যারাথন তল্লাশি চালাতেই একের পর এক চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে আসে। জানা যায়, ধৃতের বাড়ি থেকে একটি ব্যাগ তল্লাশি করে উদ্ধার করা হয়েছে রেলওয়ে রিক্রুটমেন্ট বোর্ড এবং পাবলিক সার্ভিস কমিশনের নিয়োগ সংক্রান্ত একাধিক ভুয়ো গোল স্ট্যাম্প। শুধু প্রশাসনিক সিলমোহরের জালিয়াতিই নয়, তল্লাশিতে উদ্ধার হয়েছে একটি দেশি পিস্তল এবং দুই রাউন্ড তাজা গুলি। অস্ত্রগুলির পক্ষে কোনও ধরনের বৈধ লাইসেন্স বা আইনি নথি ধৃতের পরিবার কিংবা ওই নেতা দেখাতে পারেননি।

প্রাথমিক তদন্তে পুলিশের অনুমান, সরকারি চাকরির ভুয়ো নিয়োগপত্র তৈরির এক বিরাট সিন্ডিকেট চালাতেন এই তৃণমূল নেতা। সাধারণ বেকার যুবক-যুবতীদের স্বপ্নকে পুঁজি করে কোটি কোটি টাকা আত্মসাৎ করাই ছিল এই চক্রের মূল লক্ষ্য। এই ঘটনার পর জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে ধৃত নেতার বিরুদ্ধে অস্ত্র আইনে নতুন করে স্বতঃপ্রণোদিত মামলা রুজু করা হয়েছে। এই চক্রের সঙ্গে আর কারা কারা জড়িত এবং এই ভুয়ো স্ট্যাম্প কোথায় ব্যবহার করা হতো, তা খতিয়ে দেখতে এখন জোরদার তদন্ত শুরু করেছে পুরুলিয়া জেলা পুলিশ।
আরও পড়ুন :
Suvendu Adhikari: স্মার্ট মিটার নিয়ে বড় ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের

