Bhangar blast NIA
Bengal Lebarty:
বীরভূমে বিস্ফোরক পাচারকে কেন্দ্র করে ফের তৎপরতা বাড়াল জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা (এনআইএ)। জেলাটিতে জিলেটিন স্টিক ও অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট পাচারের দুটি পৃথক মামলার তদন্ত ইতিমধ্যেই চালাচ্ছে এই কেন্দ্রীয় সংস্থা। এবার গত মঙ্গলবার রাতে বিপুল পরিমাণ বিস্ফোরক উদ্ধারের ঘটনাতেও প্রাথমিক অনুসন্ধান শুরু করেছে এনআইএ। সূত্রের খবর, ঘটনার গুরুত্ব বিবেচনা করে এই নতুন মামলার তদন্তভারও এনআইএ-এর হাতে যেতে পারে।

Birbhum Trafficking
এর আগে ২০২২ সালে রাজ্য পুলিশের স্পেশাল টাস্ক ফোর্সের (এসটিএফ) দায়ের করা একটি মামলার তদন্তভার নিয়েছিল এনআইএ। সেই সময় বীরভূমের মহম্মদবাজার এলাকা থেকে উদ্ধার হয় প্রায় ২৭ হাজার কেজি অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট, ৮১ হাজার ইলেকট্রিক ডিটোনেটর এবং প্রায় দুই টন জিলেটিন স্টিক। ওই ঘটনায় মোট আটজনকে গ্রেফতার করে এনআইএ। তদন্তকারীদের দাবি, এই পাচার চক্রের সঙ্গে জেলার এক প্রভাবশালী তৃণমূল নেতার নামও জড়িয়ে ছিল। সেই মামলায় ইতিমধ্যেই চার্জশিট জমা দিয়েছে সংস্থাটি।

Birbhum Trafficking আগের দুই তদন্তের সূত্র মিলিয়ে নতুন চক্রের খোঁজে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দারা
এ ছাড়া চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে বীরভূমের নলহাটিতে মোটরবাইকে করে অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট ও জিলেটিন স্টিক পাচারের সময় দু’জন পুলিশের হাতে ধরা পড়ে। পরে সেই মামলারও তদন্তভার নেয় এনআইএ। গোয়েন্দা সূত্রে জানা গেছে, ওই তদন্তে একটি বৃহত্তর বিস্ফোরক পাচার চক্রের সন্ধান মিলেছে।
Birbhum Trafficking
মঙ্গলবার রাতের বিস্ফোরক উদ্ধারের ঘটনাকেও সেই একই সূত্র ধরে খতিয়ে দেখা হচ্ছে। আগের দুটি মামলার সঙ্গে এর কোনো প্রত্যক্ষ যোগসূত্র রয়েছে কি না, তা যাচাই করছেন তদন্তকারীরা। মূলত বিস্ফোরকের উৎস, সরবরাহের পথ, আর্থিক লেনদেন এবং পুরো ঘটনার নেপথ্যে সক্রিয় চক্রের ভূমিকা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এনআইএ সূত্র ইঙ্গিত দিয়েছে, প্রাথমিক অনুসন্ধানের ওপর ভিত্তি করে খুব শীঘ্রই এই মামলার পূর্ণাঙ্গ দায়িত্বও কেন্দ্রীয় সংস্থার হাতে তুলে দেওয়া হতে পারে।

আরও পড়ুনঃ কালো চশমা পরেই সিজিও কমপ্লেক্সে হাজির ‘কালারফুল বয়’ মদন

