Abhishek Manu Singhvi on Congress
Bengal Liberty Desk, ১৮ মার্চ, নয়াদিল্লি: আসন্ন ৫ রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের বিধানসভা নির্বাচন নিয়ে রাজনৈতিক পারদ যখন তুঙ্গে, ঠিক তখনই বিরোধী শিবির থেকে আত্মবিশ্বাসের সুর শোনা গেল কংগ্রেসের বর্ষীয়ান নেতা অভিষেক মনু সিংভির গলায়। এক সাক্ষাৎকারে তিনি দাবি করেন, রাজ্যভিত্তিক বিশ্লেষণ করলে এটা পরিষ্কার যে বিজেপির বিন্দুমাত্র আশাবাদী হওয়ার জায়গা নেই।
সিংভির রাজ্যভিত্তিক বিশ্লেষণ (Abhishek Manu Singhvi on Congress)-
কেরল ও পুদুচেরি: বিজেপির অস্তিত্ব নেই (Abhishek Manu Singhvi on Congress)?

সিংভির মতে, কেরলে বিজেপির কোনও অস্তিত্বই নেই। তিনি বলেন, “মানুষের মনেও বিজেপি নেই। সেখানে কংগ্রেস অত্যন্ত শক্তিশালী অবস্থানে রয়েছে এবং আমি নিশ্চিত যে আমরাই ফিরছি।” একই সুর শোনা গিয়েছে পুদুচেরি নিয়েও। তামিলনাড়ুর প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, সেখানে এআইএডিএমকে (AIADMK) পুরোপুরি ছত্রভঙ্গ, আর বিজেপি কেবল অন্যের কাঁধে চড়ে বৈতরণী পার হওয়ার চেষ্টা করছে।
অসম: হিমন্ত সরকারের প্রতি ক্ষোভ?
অসমের রাজনীতি নিয়ে সিংভি সরাসরি আক্রমণ শানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মাকে। তাঁর দাবি, সেখানে দীর্ঘদিনের সরকারের বিরুদ্ধে মানুষের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ জমা হয়েছে। এই প্রতিষ্ঠান বিরোধী হাওয়ায় ভর করে অসমে কংগ্রেস সরকার গঠন করবে বলে প্রত্যয়ী অভিষেক মনু সিংভি।
পশ্চিমবঙ্গ: বাংলায় আত্মবিস্মৃত কংগ্রেস (Abhishek Manu Singhvi on Congress)?
পশ্চিমবঙ্গ নিয়ে সিংভির মন্তব্য সবথেকে বেশি তাৎপর্যপূর্ণ। তিনি অকপটে স্বীকার করে নিয়েছেন যে, বাংলায় কংগ্রেসের পক্ষে একা কোনও ‘অলৌকিক’ কাজ করা এখন আর সম্ভব নয়। তবে তিনি আশাবাদী যে ইন্ডিয়া (INDIA) জোটের অন্যতম শরিক দল (তৃণমূল-কংগ্রেস) সেখানে জয়লাভ করবে। সিংভি বলেন, “কংগ্রেস বাংলায় এককভাবে জিতবে বলে আমি বিশ্বাস করি না, তবে দল ভালো ফল করবে। জাতীয় স্তরে আমাদের শরিক দলের জয় সেখানে নিশ্চিত”।
আরও পড়ুন-
অবশেষে জল্পনায় সিলমোহর! ভোটের আগে অসমে বড় ধাক্কা কংগ্রেসে, (Bhupen Borah joins BJP) বিজেপিতে যোগ দিলেন ভূপেন বেরা
Babul Supriyo AI Summit reaction: AI সামিটে কংগ্রেসের আচরণে নিন্দা তৃণমূলের, প্রশ্নে ‘ইন্ডিয়া’ জোটের ঐক্য!
রাজনৈতিক তাৎপর্য (Abhishek Manu Singhvi on Congress)-
রাজনৈতিক মহলের মতে, সিংভির এই মন্তব্য একদিকে যেমন কংগ্রেস কর্মীদের মনোবল বাড়াতে সাহায্য করবে, অন্যদিকে বাংলায় শরিকি লড়াই বা জোটের সমীকরণ নিয়ে নতুন করে জল্পনা উসকে দিল। বিশেষ করে বাংলায় নিজের দলের জয়ের বিষয়ে তাঁর এই সোজাসাপ্টা স্বীকারোক্তি রাজনৈতিকভাবে বেশ বিরল।
