Anandalok Hospital fire
Bengal Liberty, ২১ এপ্রিল ২০২৬ :
রাজ্যের হাসপাতালগুলির বেহাল অবস্থা—কোথাও লিফটে মর্মান্তিক মৃত্যু, কোথাও আবার ছাদের চাঙড় ভেঙে পড়ে জখম হচ্ছেন রোগীরা Anandalok Hospital fire। কোথাও চিকিৎসায় মারাত্মক গাফিলতির অভিযোগ, কোথাও আবার অন্য সমস্যা। এই সব ঘটনার মধ্যেই আবারও রাজ্যের একটি নামী হাসপাতালে মর্মান্তিক অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা চাঞ্চল্য সৃষ্টি করেছে।

ফের হাসপাতালে অগ্নিকাণ্ড Anandalok Hospital fire
মঙ্গলবারের সকাল অমঙ্গলের বার্তা নিয়ে এলো বিধাননগরের সল্টলেকের কাছে আনন্দলোক হাসপাতালে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড। ঘটনাস্থলে দমকল বাহিনী পৌঁছালেও আগুন নেভাতে যথেষ্ট বেগ পেতে হয়েছে। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, আগুন কীভাবে লেগেছে তা এখনও স্পষ্ট নয়, তবে অনুমান করা হচ্ছে এসি-তে শর্ট সার্কিটের জেরেই এই অগ্নিকাণ্ড ঘটতে পারে

আনন্দলোক হাসপাতালের দ্বিতলে প্রথমে আগুন দেখা যায়। মুহূর্তের মধ্যেই আগুনের তীব্রতা মারাত্মকভাবে বেড়ে যায় এবং চারিদিক কালো ধোঁয়ায় ঢেকে যায়। রাস্তায় পথচারীরাও আগুনের ভয়াবহতা দেখতে পান। সঙ্গে সঙ্গে দমকল বাহিনীকে খবর দেওয়া হয়।
দমকল কর্মীদের পাশাপাশি স্থানীয় বাসিন্দারাও আগুন নেভানোর কাজে হাত লাগান। খুব দ্রুততার সঙ্গে প্রায় ৭০–৭৫ জন রোগীকে আনন্দলোকের অন্য ভবনে স্থানান্তর করা হয়। এখনও পর্যন্ত হতাহতের কোনও খবর মেলেনি এবং সকলেই নিরাপদ রয়েছেন।
হাসপাতাল কর্মীদের দাবি – ” হাসপাতালে সবাই সকাল থেকে খুব ব্যস্ত ছিল। হঠাৎ করেই আগুনের খবর আসে। এরপর আমরা দ্রুত রোগীদের অন্য ভবনে স্থানান্তর করি। প্রথমে ৪০ জন, পরে বাকিদের নিয়ে মোট ৭০–৭৫ জন রোগীকে সরানো হয়।”
আগুন নিয়ন্ত্রণে
দমকলের বহু চেষ্টার পর শেষমেশ সকাল ১১টা নাগাদ আগুন অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে আসে। হাসপাতালের তরফ থেকে কোনও আনুষ্ঠানিক প্রেস বিবৃতি না এলেও ট্রাস্টি বোর্ডের সদস্য সঞ্জয় হাজিরা দাবি করেন—
” এসি থেকেই আগুন লেগেছে। এখন পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে। প্রাণহানির কোনও ঘটনা ঘটেনি। রোগীরা প্রত্যেকেই সুরক্ষিত। আগুন নিভে গিয়েছে, তবে এখনও ধোঁয়া রয়েছে।”
বিধাননগরের ডিসির দাবি :
অন্যদিকে, বিধাননগরের ডিসি মীত কুমার জানিয়েছেন –
“আগুন লাগার কারণ এখনও স্পষ্ট নয়। প্রাথমিকভাবে স্থানীয়রাই আগুন নেভানোর চেষ্টা করেন, পরে দমকল পৌঁছায়। কী কারণে অগ্নিকাণ্ড, তা খতিয়ে দেখা হবে।”
