Chandannagar
Bengal Liberty, ২৯ মে :
ভদ্রেশ্বরের পর এবার চন্দননগরেও তৃণমূলে বড়সড় ভাঙনের ইঙ্গিত (Chandannagar)। চন্দননগর কর্পোরেশনের ছয় জন তৃণমূল কাউন্সিলর পদত্যাগ করায় কার্যত অস্বস্তিতে শাসকদল। পরিস্থিতি এতটাই জটিল হয়ে ওঠে যে নির্ধারিত বোর্ড মিটিং পর্যন্ত বাতিল করতে হয় প্রশাসনকে। পদত্যাগীদের মধ্যে রয়েছেন প্রাক্তন ডেপুটি মেয়র মুন্না আগরওয়ালও (Chandannagar)।

পদত্যাগ কাউন্সিলরদের (Chandannagar)
জানা গিয়েছে, মঙ্গলবার গভীর রাত পর্যন্ত চন্দননগর রবীন্দ্র ভবনে তৃণমূল কাউন্সিলরদের বৈঠক চলে। সেখানে উপস্থিত ছিলেন মেয়র রাম চক্রবর্তী-সহ একাধিক কাউন্সিলর। মূলত বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূল প্রার্থী ইন্দ্রনীল সেনের পরাজয়ের পর দলের অভ্যন্তরে তৈরি হওয়া পরিস্থিতি নিয়েই আলোচনা হয় বলে সূত্রের খবর।এরপরই বুধবার সকালে ছয় কাউন্সিলর কর্পোরেশনের কমিশনারের কাছে ই-মেলের মাধ্যমে নিজেদের পদত্যাগপত্র পাঠান বলে জানা যায়। যদিও কমিশনার শুভময় ভট্টাচার্য স্পষ্ট করেছেন, নিয়ম অনুযায়ী কাউন্সিলরদের পদত্যাগপত্র প্রথমে কর্পোরেশনের চেয়ারম্যানের কাছেই জমা পড়ে, তারপর তা কমিশনারের মাধ্যমে উচ্চতর কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হয়।

ভোটে পরাজয়েয় তৃণমূলের ভাঙনের মূল কারণ (Chandannagar)
চন্দননগর কর্পোরেশনের মোট ৩৩টি ওয়ার্ডের মধ্যে ৩১টিই এতদিন তৃণমূলের দখলে ছিল। অন্যদিকে ভদ্রেশ্বর পুরসভার ২২টি ওয়ার্ডই ছিল শাসকদলের নিয়ন্ত্রণে। কিন্তু ভোটে পরাজয়ের পর একের পর এক পদত্যাগে রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে।মেয়র রাম চক্রবর্তী জানিয়েছেন, “নিয়ম অনুযায়ী যে বোর্ড মিটিং হওয়ার কথা ছিল, তা আপাতত বাতিল করা হয়েছে। পদত্যাগের বিষয়ে পরে সিদ্ধান্ত জানানো হবে।” অন্যদিকে বিজেপি বিধায়ক দীপাঞ্জন গুহ কটাক্ষ করে বলেন, “যারা এতদিন তৃণমূল করেছে, তারাও এখন বুঝতে পারছে এই দল আর করা যায় না।”


