Nurse Death Case
Bengal Liberty: বনগাঁ মহকুমা হাসপাতালের প্রসূতি বিভাগের নার্স শুভ্রা সাহা এবং তাঁর আড়াই বছরের শিশুকন্যার অস্বাভাবিক মৃত্যুকে ঘিরে দানা বেঁধেছে তীব্র রহস্য। এটি নিছক দুর্ঘটনা নাকি পরিকল্পিত খুন—এই প্রশ্ন তুলে রবিবার রাজ্যের খাদ্যমন্ত্রী অশোক কীর্তনীয়ার দ্বারস্থ হলেন মৃতার শোকার্ত পরিবার।
কী অভিযোগ পরিবারের? (Nurse Death Case)
পরিবারের দাবি, শ্বশুরের শ্রাদ্ধানুষ্ঠানে হিঙ্গলগঞ্জে শ্বশুরবাড়িতে গিয়েছিলেন শুভ্রা। সেখান থেকেই খবর আসে, জলে ডুবে মা ও মেয়ের মৃত্যু হয়েছে। কিন্তু ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিবারের সদস্যদের সন্দেহ দানা বাঁধে। মৃতার বাবা, প্রাক্তন সেনাকর্মী ভবতোষ সাহার অভিযোগ, হিঙ্গলগঞ্জ থানায় প্রভাব খাটিয়ে তাঁদের দিয়ে জোর করে লিখিয়ে নেওয়া হয়েছে যে শুভ্রা নিজেই জলে ঝাঁপ দিয়েছিলেন। এই ঘটনার নেপথ্যে হিঙ্গলগঞ্জের এক প্রভাবশালী রাজনৈতিক ব্যক্তির আত্মীয়ের যোগসাজশ রয়েছে বলেও তাঁদের আশঙ্কা। ইতিমধ্যে চারজনের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করা হয়েছে।

মন্ত্রীকে ফোনে ধমক (Nurse Death Case)
পরিবারের আর্তনাদ শুনেই খাদ্যমন্ত্রী অশোক কীর্তনীয়া সরাসরি তদন্তকারী পুলিশ আধিকারিককে ফোন করেন। তিনি অত্যন্ত কড়া ভাষায় নির্দেশ দেন, “কোনও রাজনৈতিক নেতার মাতব্বরিতে মামলা যেন ভুল পথে পরিচালিত না হয়। আইন মেনেই নিরপেক্ষ তদন্ত করতে হবে। আমার থেকে খারাপ কেউ হবে না, জামাপ্যান্ট খুলিয়ে ব্যবস্থা করব, বলে দেবেন।”

সহকর্মীদের দাবি (Nurse Death Case)
এদিকে, শুভ্রা সাহার সহকর্মীদের দাবি, তিনি অত্যন্ত হাসিখুশি ও ইতিবাচক মানসিকতার মানুষ ছিলেন। এই রহস্যময় মৃত্যু কিছুতেই মেনে নেওয়া যাচ্ছে না। সহকর্মী পল্লবী সাহা সাফ জানিয়েছেন, এটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড এবং দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।
এখন পুলিশি তদন্তে শেষ পর্যন্ত কী উঠে আসে, সেদিকেই তাকিয়ে মৃতার পরিবার ও বনগাঁ হাসপাতালের স্বাস্থ্যকর্মীরা।


