Islamic state Bangladesh
Bengal Liberty, নয়ন বিশ্বাস রকি, সাবেক ছাত্রলীগ নেতা, সমাজসেবক: ২০২৪ সালের ৫ই আগস্ট মূলত বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের বিরুদ্ধে সংগঠিত ৫৪ বছরের এক গভীর, সুপরিকল্পিত ষড়যন্ত্রের(Islamic state Bangladesh) বহিঃপ্রকাশ। ১৯৭১ সালের পরাজিত শক্তিরা বাংলাদেশকে ধ্বংসের নীলনকশা নিয়ে দীর্ঘ ৫৪ বছর ধরে পর্দার আড়ালে একযোগে কাজ করে গেছে। একটি চিরন্তন প্রবাদ আছে—”স্বাধীনতা অর্জনের চেয়ে স্বাধীনতা রক্ষা করা কঠিন।” বাংলাদেশ আজ দীর্ঘ সাড়ে পাঁচ দশক পর আবারও সেই কঠোর সত্যের মুখোমুখি দাঁড়িয়েছে। দেশীয় ও আন্তর্জাতিক নানামুখী ষড়যন্ত্রের কবলে পতিত হয়েছে আমাদের প্রিয় মাতৃভূমি।

Islamic state Bangladesh: পর্দার আড়ালে নতুন রূপরেখা ও ‘আইআরএ’ (IRA)
আমাদের সকলের অজান্তেই এক বিপৎসংকেত তৈরি হয়েছে। ইসলামের চার খলিফার নামে নামকরণ করে ৪টি ব্রিগেডসহ সেনাবাহিনীর একটি নতুন ডিভিশন গঠনের অপচেষ্টা চলছে, যার অন্তরালে লুকিয়ে রয়েছে “ইসলামিক রেভুলোশনারি আর্মি” বা IRA গঠনের নীল নকশা।

বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের অন্যতম প্রধান পাহারাদার বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ। ২০২৪ সালের ৫ই আগস্ট মূলত সেই পাহারাদারদের রাষ্ট্রক্ষমতা থেকে অপসারণের মাধ্যমে বাংলাদেশকে একটি তথাকথিত ইসলামিক জঙ্গি রাষ্ট্রে রূপান্তরের প্রথম ধাপ সম্পন্ন করা হয়েছে।
ইতিহাস ও চেতনা ধ্বংসের দ্বিতীয় ধাপ (Islamic state Bangladesh)
প্রথম ধাপের সফলতার পর, ষড়যন্ত্রকারীরা এখন দ্বিতীয় ধাপে পা বাড়িয়েছে। তাদের বর্তমান লক্ষ্য হলো মুক্তিযুদ্ধের সকল স্মৃতি চিহ্ন, গৌরবোজ্জ্বল ইতিহাস এবং মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও আদর্শকে চিরতরে মুছে ফেলা। বর্তমান বাংলাদেশের অস্থিতিশীল ও নৈরাজ্যকর পরিস্থিতিই এর সবচেয়ে বড় প্রমাণ।

আজ স্বাধীনতার পক্ষের রাজনৈতিক শক্তি ও সাধারণ মানুষেরা কোণঠাসা। বর্তমান প্রেক্ষাপট ইঙ্গিত দিচ্ছে যে, মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের মানুষের ওপর অচিরেই আরও ভয়াবহ দমন-পীড়ন নেমে আসতে পারে।
মুক্তির পথ(Islamic state Bangladesh): একাত্তরের আদর্শে ঐক্যবদ্ধ প্রতিরোধ
বাংলাদেশকে বাঁচাতে হলে এবং দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব অক্ষুণ্ন রাখতে হলে আমাদের আবার একাত্তরের চেতনা ও পথেই হাঁটতে হবে। স্বাধীনতার পক্ষের রাজনৈতিক শক্তি ও সাধারণ জনগণ যত দ্রুত এই বাস্তব সত্য উপলব্ধি করতে পারবে, বাংলাদেশের মুক্তি তত দ্রুত ত্বরান্বিত হবে। আমরা যদি এই সত্য অনুধাবনে বিলম্ব করি, তবে আমাদের দাসত্ব ও অন্ধকারের পথ ততটাই দীর্ঘ হবে।

এখনই উপযুক্ত সময়! বাংলাদেশের সর্বস্তরের জনগণকে সাথে নিয়ে রাজপথে আন্দোলন-সংগ্রাম গড়ে তুলতে হবে। এই কালো অধ্যায়ের অবসান ঘটিয়ে আলোর পথে, স্বাধীন সোনার বাংলাদেশ বিনির্মাণের লক্ষ্যে সবাইকে সুসংগঠিত ও ঐক্যবদ্ধ হতে হবে।
তরুণ প্রজন্মের ভবিষ্যৎ রক্ষায় ডাক (Islamic state Bangladesh)
আসুন, আমরা সবাই ঐক্যবদ্ধ হয়ে অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদের কণ্ঠস্বর উচ্চারণ করি এবং স্বাধীন সোনার বাংলাদেশকে রক্ষা করি। আজকে যদি আপনি নীরব থাকেন, তবে আপনার তরুণ প্রজন্মের ভবিষ্যৎ এই দেশ থেকে হারিয়ে যাবে, দেশ ধ্বংসের মুখে পতিত হবে। আপনার আজকের একটি প্রতিবাদী আওয়াজ আগামী দিনের মানবিক রাষ্ট্র গঠন করবে এবং তরুণ প্রজন্মের ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করবে।
অশুভ কালো শক্তি, সন্ত্রাসী ও স্বাধীনতাবিরোধীদের হাত থেকে দেশকে রক্ষা করা এখন আমাদের পরম নৈতিক কর্তব্য। নিজস্ব উদ্যোগে যার যার অবস্থান থেকে তীব্র প্রতিরোধ ও প্রতিবাদ গড়ে তুলুন। সর্বস্তরের দেশবাসীর কাছে এই জাগ্রত বার্তা পৌঁছে দিন।
আর নীরব থাকার সময় নেই! দেশের শান্তি ও স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে আপনার সোচ্চার প্রতিবাদই একমাত্র হাতিয়ার। আসুন, সবাই ঐক্যবদ্ধ হয়ে দেশকে রক্ষা করি। দেশ ধ্বংসকারী গণশত্রুদের ‘না’ বলি এবং উন্নয়নের, মানবিক ও সৃজনশীল বাংলাদেশকে ‘হ্যাঁ’ বলি।
আরও পড়ুন:
অন্য দেশের উপনিবেশের সঙ্গে কেউ চুক্তি করে না


