Lawrence Bishnoi
Bengal Liberty
কুখ্যাত মোস্ট ওয়ান্টেড গ্যাংস্টার লরেন্স(Lawrence Bishnoi) বিষ্ণোইকে মার্কিন বিচার বিভাগ আনুষ্ঠানিকভাবে প্রত্যর্পণের দাবি জানাবে বলে নিশ্চিত করেছে। কানাডায় খালিস্তানি বিচ্ছিন্নতাবাদী নেতা হরদীপ সিং নিজ্জার হত্যা এবং আন্তর্জাতিক মাদক চোরাচালানসহ সংগঠিত অপরাধ চক্র পরিচালনার অভিযোগে মার্কিন ফেডারেল আদালতে তাকে অভিযুক্ত করার পর এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। ক্যালিফোর্নিয়ার সেন্ট্রাল ডিস্ট্রিক্টের মার্কিন অ্যাটর্নি অফিসের পাবলিক অ্যাফেয়ার্স অফিসার সিয়ারান ম্যাকএভয় নিশ্চিত করেছেন যে, বর্তমানে ভারতের কারাগারে বন্দী থাকা লরেন্স বিষ্ণোইকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে বিচারের মুখোমুখি করার জন্য আইনি প্রক্রিয়া শুরু করা হবে।

অভিযোগ(Lawrence Bishnoi)
ইউএস বিচার বিভাগ লরেন্স বিষ্ণোই এবং তার সহযোগী গোল্ডি ব্রারকে আন্তর্জাতিক অপরাধ চক্র (র্যাকেট), চাঁদাবাজি এবং হত্যা ষড়যন্ত্রের সাথে জড়িত বলে চিহ্নিত করেছে।

আইনি প্রক্রিয়া(Lawrence Bishnoi)
ভারত ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে ১৯৯৭ সালের প্রত্যর্পণ চুক্তি অনুযায়ী এই প্রক্রিয়া পরিচালিত হবে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র প্রত্যর্পণের আনুষ্ঠানিক অনুরোধ জানালে ভারতের আদালত এবং কেন্দ্রীয় সরকারকে পুরো বিষয়টি পর্যালোচনা করে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে হবে।
প্রক্রিয়াটি সময়সাপেক্ষ(Lawrence Bishnoi)
মার্কিন কর্মকর্তারা স্বীকার করেছেন যে, আন্তর্জাতিক প্রত্যর্পণ একটি অত্যন্ত জটিল ও দীর্ঘমেয়াদী বিষয়। এতে অনেক সময় লাগে। এই দীর্ঘ আইনি প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে শেষ পর্যন্ত লরেন্স বিষ্ণোইকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে প্রত্যর্পণ করা সম্ভব হবে কি না, তা নিয়ে তীব্র জটিলতা রয়েছে। উল্লেখ্য, কানাডা ছাড়াও ভারতের মাটিতে একাধিক খুন ও অপহরণের মামলায় লরেন্স বিষ্ণোইয়ের নাম জড়িয়েছে।

বলিউড সুপারস্টার সালমান খানকে হত্যার হুমকি ও তাঁর ওপর হামলার ছক ছাড়াও, মহারাষ্ট্র বিধানসভার প্রাক্তন সদস্য বাবা সিদ্দিকি হত্যাকাণ্ডেও লরেন্স বিষ্ণোই গ্যাংয়ের নাম উঠে এসেছিল। এই পরিস্থিতিতে মার্কিন বিচার বিভাগ সফলতার সঙ্গে লরেন্সকে তাদের দেশে নিয়ে যেতে পারে কি না, এখন সেটাই দেখার।

