Indigo Crisis
Bengal Liberty Desk, ১০ ডিসেম্বর, কলকাতা: ৮ দিন পার,অভিযোগের পর অভিযোগ, যাত্রী হয়রানি, একের পর এক বিমান বাতিল! বিপর্যস্ত ইন্ডিগোর (Indigo) বিমান পরিষেবা। ৮ দিন পরেও কি বদলেছে বাস্তব ছবিটা?
বুধেও যাত্রী ভোগান্তি! (Indigo Crisis)
আজ, বুধবারও ইন্ডিগো বিভ্রাটের জেরে বিমান যাত্রীদের ভোগান্তি অব্যাহত। এদিনও ইন্ডিগোর একের পর এক উড়ান বাতিল হয়েছে দেশের বিভিন্ন বিমানবন্দরে। বুধবার বেলা ১২টা পর্যন্ত ১০০-র বেশি উড়ান বিমান হয়েছে বলে খবর। তবে বিমান বাতিল হওয়ার সংখ্যা কমেছে অনেকটাই। বিপর্যয় শুরু হওয়ার পর ৮ দিন কেটে গেলেও পরিষেবা পুরোপুরি স্বাভাবিক করতে পারেনি ইন্ডিগো কর্তৃপক্ষ।
এই প্রেক্ষিতে এ বার ইন্ডিগো সংস্থার CEO-কে হাজিরার নির্দেশ উড়ান নিয়ন্ত্রক সংস্থা DGCA-এর। বিমান বাতিল সংক্রান্ত সব তথ্য নিয়ে আগামীকাল, বৃহস্পতিবার হাজিরা দিতে বলা হয়েছে তাঁকে। দেশের বিমানবন্দরগুলিতে যাত্রীদের কতোটা ভোগান্তি হচ্ছে, তা খতিয়ে দেখতে এবার তৎপর হয়েছে DGCA। ওই সংস্থার আধিকারিকদের দেশের ১১টি বিমানবন্দরে ঘুরে পরিস্থিতি দেখতে বলেছে তারা।
কী নির্দেশ DCGA-এর? (DGCA Notification)
DCGA সূত্রে খবর, আগামীকাল, বৃহস্পতিবার দুপুরে ইন্ডিগোর CEO পিটার এলবার্সকে (Pieter Elbers) হাজিরা দিতে বলা হয়েছে তাদের দফতরে। বিমান বিভ্রাট সংক্রান্ত সব নথিও নিয়ে যেতে বলা হয়েছে তাঁকে। সূত্রের খবর, পিটারের সঙ্গে সংস্থার শীর্ষ আধিকারিকেরাও উপস্থিত থাকবেন ওই বৈঠকে।
উল্লেখ্য, কেন্দ্রীয় অসামরিক বিমান মন্ত্রক বর্তমান পরিস্থিতিতে DCGA-এর ভূমিকা নিয়েও অসন্তোষ প্রকাশ করেছে। তার পরেই কি সক্রিয় হয়েছে এই সংস্থা? উঠছে প্রশ্ন। এর আগে ইন্ডিগোর CEO-র সঙ্গে বৈঠক করেন কেন্দ্রীয় অসামরিক বিমান পরিবহণমন্ত্রী কে রামমোহন নায়ডু (Ram Mohan Naidu)।
গতকাল, মঙ্গলবার এক বিবৃতিতে ওই সংস্থার CEO পিটার আলবার্স (Pieter Elbers) জানিয়েছিলেন, অপারেশন এখন স্থিতিশীল এবং সংস্থার পরিষেবা ধীরে ধীরে আগের গতিতে ফিরতে শুরু করেছে। যাত্রীদের অসুবিধার জন্য ফের একবার ক্ষমাও চেয়ে নিয়েছেন তিনি। পিটার আলবার্স বলেন, “আমাদের তরফেই পরিষেবায বিঘ্ন ঘটেছিল – তার দায় স্বীকার করছি। কিন্তু এখন ইন্ডিগো আবার ঘুরে দাঁড়িয়েছে। আপনাদের ধৈর্য ও আস্থার জন্য ধন্যবাদ।”
দেশের সবচেয়ে বড় বিমান সংস্থা হিসেবে প্রতিদিন প্রায় ২৩০০টি বিমান পরিচালনা করে ইন্ডিগো। কিন্তু গত এক সপ্তাহের বেশি সময় ধরে তাদের পরিষেবা কার্যত ভেঙে পড়েছে। সব মিলিয়ে চরম সমস্যায় পড়েন যাত্রীরা।
