Bengal Liberty:
হুঁশিয়ারি মানেনি। আগেই থানায় হয়েছে অভিযোগ দায়ের। এরপর সাদা দেওয়ালে লাগানো হল ‘গেরুয়া’ রং। আনন্দবাজার পত্রিকা নিয়ে ক্রমশই বাড়ছে পারদ। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর হুঁশিয়ারির পরও নিজেদের অবস্থানে অনড় আনন্দবাজার পত্রিকা। আর তার পরেই মঙ্গলবার দুপুরে কলকাতায় পত্রিকার সদর দফতরে একদল মানুষের আচমকা ঢুকে পড়া এবং অফিসের সাদা দেওয়ালে কমলা রং লাগানোকে কেন্দ্র করে নতুন করে চাঞ্চল্য ছড়াল।

মুখ্যমন্ত্রীর হুঁশিয়ারী(Anandabazar Patrika)
ঘটনার সূত্রপাত যাদবপুরের বন্দে মাতরম কর্মসূচিকে ঘিরে। গত শুক্রবারের সভা থেকে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী,নাম না করে একটি সংবাদপত্রের প্রকাশিত শিরোনাম নিয়ে আপত্তি জানান। তাঁর বক্তব্য ছিল, “যারা যাদবপুরের ঘটনাকে নিয়ে ‘গেরুয়া গুন্ডামি’ বলে লিখে খবরের শিরোনাম করেছেন, তারা অত্যন্ত অন্যায় করেছেন।” তিনি আরও বলেন, “গেরুয়া এই রংটি একটি বিশেষ অর্থ প্রদান করে। আমাদের দেশের জাতীয় পতাকাতেও গেরুয়া রং রয়েছে।” ফলে ওই বিশেষ রংকে নিয়ে লেখার ফলে অনেকের মনে আঘাত লেগেছে বলে দাবি মুখ্যমন্ত্রীর।
আরও খবর
ওই সভা থেকেই মুখ্যমন্ত্রী সংশ্লিষ্ট সংবাদপত্রকে উদ্দেশ্য করে বলেন, “ভুল হতেই পারে। ভুল হয়েছে, ক্ষমা চেয়ে প্রথম পাতায় ছাপুন।”

সিদ্ধান্তে অকপট (Anandabazar Patrika)
এর পরের দিন আনন্দবাজার পত্রিকা প্রকাশিত হলেও নিজেদের অবস্থান থেকে সরে আসা বা ক্ষমা চাওয়ার কোনও বিষয় প্রকাশ্যে আসেনি বলে দাবি সংশ্লিষ্ট মহলের। ফলে শনিবার বিকেলে বউবাজার থানায় আনন্দবাজার পত্রিকা এবং সম্পাদকমণ্ডলীর বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করা হয়। ফলে আইনি জটিলতা তৈরী হয়েছে। যদিও আনন্দবাজার পত্রিকা নিজেদের সিদ্ধান্তে অকপট বলেই দাবি।
এর মধ্যেই মঙ্গলবার সদর দফতরের দেওয়ালে কমলা রং লাগানো এবং স্লোগান দেওয়ার ঘটনায় বিতর্ক আরও বাড়ল। একদিকে সংবাদপত্রের প্রকাশিত খবর ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতা, অন্যদিকে সেই প্রকাশনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়া ও এফআইআর। পরপর ঘটনাগুলিকে ঘিরে সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা নিয়েও নতুন করে প্রশ্ন উঠছে।

আরও পড়ুনঃ পচাগলা দেহে ভরছে নদী, নেপালে এবার মহামারীর আশঙ্কা


