Bengal Liberty : বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে ক্ষমতায় আসার পরেও বিধানসভায় ফ্লোর টেস্টের প্রসঙ্গ কেন তুলছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী? এই প্রশ্ন তুলে তাঁকে কটাক্ষ করলেন পশ্চিমবঙ্গ প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি শুভঙ্কর সরকার। তাঁর দাবি, মুখ্যমন্ত্রীর এই মন্তব্যের পিছনে রয়েছে রাজনৈতিক নিরাপত্তাহীনতা। তবে মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে অন্য দলের বিধায়কদের ভাঙিয়ে নেওয়ার ইঙ্গিত দেওয়ার অভিযোগ তুললেও সাম্প্রতিক সময়ে তৃণমূলের একাধিক নেতা ও পুরসভার প্রাক্তন সদস্যের কংগ্রেসে যোগদান নিয়ে পাল্টা প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে রাজনৈতিক মহলে। ফলে শুভঙ্কর সরকারের এই মন্তব্য ঘিরে শুরু হয়েছে নতুন রাজনৈতিক চাপানউতোর।
বৃহস্পতিবার কলকাতায় এক প্রেস বিবৃতিতে শুভঙ্কর সরকার বলেন, “বিপুল ম্যান্ডেট নিয়ে ক্ষমতায় আসার পরেও পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর গলায় হঠাৎ ফ্লোর টেস্টের সুর কেন?” মুখ্যমন্ত্রীর ২০৮ জন বিধায়কের সমর্থনের পাশাপাশি আরও ৬৪ জন বিধায়কের সমর্থন পাওয়ার দাবির প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, “আমরা সকলেই বুঝতে পারছি, তিনি তৃণমূলের বিধায়ক ভাঙানোর দিকেই ইঙ্গিত করছেন।”
শুভঙ্কর সরকারের প্রশ্ন, এত বড় জনসমর্থন পাওয়ার পরেও মুখ্যমন্ত্রীকে কেন ফ্লোর টেস্টের প্রসঙ্গ তুলতে হচ্ছে? তাঁর অভিযোগ, বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা থাকা সত্ত্বেও শুভেন্দু অধিকারী রাজনৈতিক নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। এমনকী, নিজের দলের অন্দরেও তিনি কোণঠাসা কি না, তা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি। রাজ্যের প্রশাসনিক পরিস্থিতি, একের পর এক সরকারি সিদ্ধান্ত এবং চোরবাগান কাণ্ডে ১৯ জনের মৃত্যুর প্রসঙ্গ টেনেও মুখ্যমন্ত্রীকে আক্রমণ করেছেন তিনি।
আরও খবর
তবে শুভঙ্কর সরকারের এই মন্তব্য ঘিরে উঠছে পাল্টা প্রশ্নও। রাজনৈতিক মহলের একাংশের বক্তব্য, মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে অন্য দল থেকে বিধায়ক ভাঙিয়ে নেওয়ার ইঙ্গিত দেওয়ার অভিযোগ তুলছে কংগ্রেস। অথচ সাম্প্রতিক সময়ে তৃণমূলের একাধিক নেতা, সাদাব খান ও সপ্তর্ষি বন্দ্যোপাধ্যায়-সহ পুরসভার একাধিক প্রাক্তন তৃণমূল সদস্য কংগ্রেসে যোগ দিয়েছেন। এই পরিস্থিতিতে দলবদল নিয়ে শুভঙ্কর সরকারের বক্তব্য কতটা যুক্তিযুক্ত, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে শাসক বিজেপি।


