Farooq Abdulla
Farooq Abdulla

পাকিস্তান কাশ্মীরিদের সুরক্ষা দিচ্ছে, বিতর্কিত দাবি ফারুক আবদুল্লাহর

Bengal Liberty : ‘পাকিস্তান আন্তর্জাতিক মঞ্চে বারবার কাশ্মীর ইস্যু উত্থাপন করে জম্মু ও কাশ্মীরের জনগণকে রক্ষা করছে।’ এমনটাই দাবি, ন্যাশনাল কনফারেন্স (এনসি) সভাপতি ফারুক আবদুল্লা-র। জম্মু-কাশ্মীরের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর এই মন্তব্য ঘিরে ইতিমধ্যেই বিতর্ক দানা বেঁধেছে। ফারুকের মন্তব্যের প্রতিবাদে সোচ্চায় হয়েছে বিজেপি। দেশের শাসক দলের তরফে প্রবীণ এই রাজনীতিককে ‘পাকিস্তানপন্থী’ এবং ‘রাষ্ট্রদ্রোহী’ বলে অভিহিত করা হয়েছে।

দেশদ্রোহিতা বলে অভিহিত বিজেপির

উত্তর কাশ্মীরের বারামুলায় দলীয় কর্মীদের এক সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন ফারুক আবদুল্লা। সেই সময় পাকিস্তানের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, “আমাদের প্রতিবেশী দেশ সবসময় তাদের (কাশ্মীরিদের) পাশে রয়েছে। তিনি (পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ) সব জায়গায় গিয়ে বলছেন যে, কাশ্মীর সমস্যার সমাধান হয়নি। তিনি আমাদের রক্ষা করছেন। তা না হলে, ওদের (ভারতের) উদ্দেশ্য মোটেও ভাল নয়।” এমনটাই বিতর্কিত মন্তব্য করেন ফারুক। তাঁর আরও বক্তব্য যে, দুনিয়াজুড়ে চাপের কারণে ভারত সরকার কাশ্মীর ইস্যুতে নীরব রয়েছে। প্রবীণ এই রাজনীতিক প্রশ্ন তোলেন, “আপনারা দিল্লির কাছ থেকে কী আশা করেন? আপনারা কি মনে করেন ওরা আপনাদের ন্যায়বিচার দেবে? লড়াই করার সাহস রাখুন, নয়তো আপনারা নিশ্চিহ্ন হয়ে যাবেন। আপনাদের অস্তিত্ব হারিয়ে যাবে।”

এদিকে ফারুক আবদুল্লার এই মন্তব্যকে ভারত-বিরোধী ও পাকিস্তান-পন্থী বলে নিন্দা জানিয়েছেন বিজেপির বিধায়ক যুদ্ধবীর শেঠি। তাঁর মতে, ফারুকের বক্তব্য রাষ্ট্রদ্রোহের শামিল। যারা দেশের বিরুদ্ধে কথা বলেন, তাঁদের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহের মামলা হওয়া উচিত। বিশ্ব জানে যে, জম্মু ও কাশ্মীরে সন্ত্রাসবাদ ও রক্তপাত ছড়ানোর পেছনে পাকিস্তানের হাত রয়েছে। তাই পাকিস্তানের পক্ষে এমন মন্তব্য নিন্দনীয়। ফারুক আবদুল্লাকে এর জন্য ক্ষমা চাইতে হবে” বলে দাবি তোলেন যুদ্ধবীর।
অন্যদিকে পাল্টা বিজেপির জাতীয় মুখপাত্র আর পি সিং’ও তোপ দেগে বলেছেন, এই প্রবীণ কাশ্মীরি রাজনীতিকের উচিত “সীমানার ওপারে” দেখা এবং সেখানে কাশ্মীরিদের দুর্দশা উপলব্ধি করা।

Pushpak Bhattacharya
পুষ্পক ভট্টাচার্য

পুষ্পক ভট্টাচার্য একজন সাংবাদিক ও গণমাধ্যমকর্মী। রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মাস্টার্স ডিগ্রি অর্জন করার পর ২০২৬-এ Bengal Liberty-তে সাংবাদিক হিসেবে তাঁর পেশাগত যাত্রা শুরু হয়। আন্তর্জাতিক সংবাদ এবং ক্রীড়া সাংবাদিকতার প্রতি বিশেষ আগ্রহ। দেশ-বিদেশের সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ, আন্তর্জাতিক রাজনীতি এবং খেলাধুলার নানা বিষযয়ের প্রতি বিশেষ ঝোঁক। ব্যস্ততার বাইরে বই ও সিনেমা সঙ্গী।