genetic engineering
Bengal Libery: “জন্মিলে মরিতে হবে” শৈশব থেকে শেখা এই বাস্তবতা কি তবে আর অনড় থাকবে না? সাম্প্রতিক গবেষণা (Research) বলছে, আর মাত্র ২৫ বছর, অর্থাৎ ২০৫০ সাল পর্যন্ত যদি কোনও মানুষ সুস্থভাবে বেঁচে থাকতে পারেন, তবে তাঁর মৃত্যু আর অনিবার্য নাও হতে পারে! বিজ্ঞানীদের দাবি—মানুষের শরীরকে এমনভাবে পুনর্গঠন (Regenerate)করা সম্ভব হবে যে বয়স বাড়লেও অঙ্গপ্রত্যঙ্গ আর নষ্ট হবে না, বরং নতুনের মতো কাজ করবে।
বছর ঘুরলেও যৌবন থাকবে উষ্ণ! (Genetic Engineering)
গবেষকরা বলছেন, বিষয়টির কেন্দ্রবিন্দু জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং(Genetic Engineering)। এই প্রযুক্তির সাহায্যে বয়সের সঙ্গে দুর্বল হয়ে পড়া কোষকে (Cells)আবার সক্রিয় করা যাবে। অর্থাৎ দেহের ক্ষয় থামিয়ে দেওয়া সম্ভব। শুধু তাই নয়, স্টেম সেল থেরাপি (Stem Cell Therapy), ন্যানো মেডিসিন (Nano Medicine) ও জিন থেরাপি (Gene Therapy)ভবিষ্যতে এমন পর্যায়ে পৌঁছতে পারে যেখানে মানুষের দেহ ফের যৌবন ফিরে পাবে। বয়স হবে কেবল সংখ্যা আর জীবন চলবে অবিরাম।
কাদের হাতে থাকবে এই অমরত্বের চাবিকাঠি? (Genetic Engineering)
তবে সমস্যা একটাই। এই “অমরত্ব প্রযুক্তি”র খরচ শুরুতে হবে আকাশছোঁয়া। গবেষকদের মতে, প্রথমের দিকে কেবল বিলিয়নিয়ার( Billionaire) বা অতিধনীরাই হয়তো এই সুবিধা পাবেন। সাধারণ মানুষের নাগালে আসতে আরও সময় লাগবে। তবে প্রযুক্তির নিয়ম সময়ের সঙ্গে সবকিছুই সুলভ হয়।
অমরত্ব লাভ হবে কী তাহলে?(Genetic Engineering)
সুতরাং আজ যাদের বয়স ৪০ বছরের কম, তারা যদি আগামী ২৫ বছর ধরে বেঁচে থাকতে পারেন, তাহলে নাকি অমরত্বের স্বাদও পেতে পারেন এমনই আশার কথা শোনাচ্ছেন বিজ্ঞানীরা। অবশ্য, এসব এখনো গবেষণার স্তরে (experimental stage)। সাফল্য পাবে কিনা তা বলবে সময়ই।
কিন্তু যদি সত্যিই মানুষ অমর হয়? পৃথিবীর ভারসাম্য, জীবনদর্শন, পরিবার, জন্ম-মৃত্যুর পরিকাঠামো সবকিছুই কী বদলে যাবে? প্রশ্ন অনেক, উত্তর নেই। তবে স্বপ্ন যদি অসম্ভবের সীমানায়ও থাকে বিজ্ঞান তাকে টেনে আনে বাস্তবে।
মৃত্যুকে হারাতে পারবে কি মানবসভ্যতা? উওর দেবে সময় (Genetic Engineering) ।
