Bank fraud case CBI search
রাজ্যে শাসকদলের অস্বস্তি বাড়িয়ে ফের সক্রিয় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। ইডির অভিযানের রেশ কাটতে না কাটতেই এবার কলকাতায় সিবিআই (CBI raid Kolkata) তল্লাশি। ব্যাঙ্ক জালিয়াতি মামলায় শহর ও নিউটাউন জুড়ে অভিযান ঘিরে ফের প্রশ্নের মুখে তৃণমূল শাসন ও প্রশাসনিক স্বচ্ছতা।
সূত্রের খবর কলকাতা ও নিউটাউন মিলিয়ে মোট পাঁচটি জায়গায় একযোগে অভিযান চালিয়েছে সিবিআই (CBI raid Kolkata) টিম। সকাল থেকেই বিভিন্ন এলাকায় সিবিআই-এর তৎপরতা ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।

জানাগেছে আলিপুর নিউ রোড সংলগ্ন গণেশ কোর্ট আবাসনের পাঁচতলায় এক ব্যবসায়ীর ফ্ল্যাটে প্রবেশ করেছিল সিবিআই(CBI raid Kolkata)। ওই ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে ব্যাঙ্ক থেকে ঋণ নিয়ে কয়েকশো কোটি টাকার প্রতারণার অভিযোগ রয়েছে। সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই এই তল্লাশি অভিযান চালানো হয়েছিল বলে তদন্তকারী সূত্রে জানা গিয়েছে।
এই অভিযানের আবহে নতুন করে রাজনৈতিক জল্পনাও শুরু হয়েছে। কারণ, মাত্র এক সপ্তাহ আগেই ইডি আইপ্যাকের দফতর ও সংস্থার প্রধানের বাড়িতে তল্লাশি চালানোকে ঘিরে রাজ্য রাজনীতি উত্তপ্ত হয়ে উঠেছিল। সেই সময় খোদ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আইপ্যাকের দফতরে পৌঁছে যান। তার রেশ কাটতে না কাটতেই এবার ইডির পর সিবিআই-এর (CBI raid Kolkata) সক্রিয়তা নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

সূত্রের দাবি, আশা কেজরিওয়াল নামে এক ব্যবসায়ীর বাড়িতেও সিবিআই (CBI raid Kolkata) তল্লাশি চালাচ্ছে। সিবিআই (CBI raid Kolkata) সূত্রে জানা গিয়েছে, অভিযোগ অনুযায়ী ২০১৬ সালে মেসার্স রাজেশ্বরী আয়রন অ্যান্ড স্টিল কোং প্রাইভেট লিমিটেড সংস্থার পরিচালক সুমিত কুমার কেজরিওয়াল ও আশা কেজরিওয়াল, সংস্থার জামিনদার প্রভাশ কুমার মুখোপাধ্যায়, কয়েকজন সরকারি কর্মচারী এবং অজ্ঞাতনামা বেসরকারি ব্যক্তিদের সঙ্গে যোগসাজশে একটি ফৌজদারি ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়। অভিযোগে বলা হয়েছে, জাল নথি ব্যবহার করে এবং ভুয়ো হিসাব দেখিয়ে ৫ কোটি ৬১ লক্ষ ৭১ হাজার টাকা ব্যাঙ্ক ঋণের নামে প্রতারণা করা হয়েছে। তারপরই রাঁচিতে ২০২৩ সালে দায়ের হওয়া একটি সিবিআই এসিবি মামলার সূত্র ধরেই এই তল্লাশি অভিযান চালানো হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে।
তদন্ত সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, তল্লাশি শেষে সিবিআই(CBI raid Kolkata) আধিকারিকরা ল্যাপটপ, প্রিন্টার ও কিবোর্ড বাজেয়াপ্ত করে সংশ্লিষ্ট স্থান থেকে বেরিয়ে যান। তবে এই মুহূর্তে তদন্তের স্বার্থে সিবিআই-এর তরফে কোনও আনুষ্ঠানিক বিবৃতি দেওয়া হয়নি।
এক সপ্তাহে ইডি ও সিবিআই দুই কেন্দ্রীয় এজেন্সির ধারাবাহিক অভিযান কি কাকতালীয়, নাকি তৃণমূল জমানায় জমে ওঠা আর্থিক অনিয়মের পর্দা ফাঁসের শুরু? উত্তর দেবে তদন্তই।
