Bengal Liberty: রাজ্যের শাসকদলের অন্দরে বিদ্রোহ এবং কেন্দ্রীয় এজেন্সির সাঁড়াশি চাপের মুখে দাঁড়িয়ে ফের বিস্ফোরক মন্তব্য করলেন বিজেপি বিধায়ক অর্জুন সিং। রবিবার ব্যারাকপুরের এই দাপুটে নেতা সরাসরি শাসকদলকে নিশানা করে বলেন, “তৃণমূলকে যে ধ্বংস করবে, সেই আমার বন্ধু।”

তৃণমূলের অন্দরে বিদ্রোহের আঁচ (Arjun Singh Remark)
ব্যারাকপুরের সাংসদ পার্থ ভৌমিকের দলবদলের জল্পনা নিয়ে অর্জুন সিং বলেন, পার্থ বিজেপিতে নয়, বরং তৃণমূলের বিক্ষুব্ধ গোষ্ঠীতে নাম লেখাচ্ছেন। তাঁর কথায়, এই বিক্ষুব্ধরাই ভেতর থেকে ধীরে ধীরে তৃণমূলকে শেষ করছে। পার্থের মতো চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী নেতা দলের বিরুদ্ধে গেলে তাঁর কোনো আপত্তি নেই বলেও মন্তব্য করেন অর্জুন।

অভিষেক ও মদন মিত্রকে নিশানা (Arjun Singh Remark)
শনিবার মদন মিত্রের বাড়িতে ইডি-র ম্যারাথন তল্লাশি এবং অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সিআইডি হাজিরা প্রসঙ্গে অর্জুন সিং চাঁচাছোলা ভাষায় আক্রমণ করেন। অভিষেককে ইঙ্গিত করে তিনি বলেন, “আমি যদি ইডি-র দায়িত্বে থাকতাম, তবে অনেক আগেই তাঁকে গ্রেফতার করে জেলে পুরতাম।” এই মুহূর্তে তৃণমূলের সেকেন্ড-ইন-কমান্ডের আইনি অস্বস্তি নিয়ে কটাক্ষ করে তিনি বলেন, “এখন অভিষেকের জন্য একটা কথাই খাটে— ‘দেখ কেমন লাগে’!”
আরও খবর

তৃণমূলের দুঃসময়ে আইনি জট (Arjun Singh Remark)
বিধানসভা নির্বাচনের পর থেকেই তৃণমূলের ওপর যেন মামলার পাহাড় জমেছে। একদিকে নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় ইডি-র তল্লাশি, অন্যদিকে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে সই জালিয়াতি ও উস্কানিমূলক ভাষণের অভিযোগে একের পর এক সমন। এর মধ্যে শিলিগুড়িতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে নতুন করে মামলা দায়ের হয়েছে। এছাড়া, সম্প্রতি কাকলি ঘোষ দস্তিদারের পুত্রের আইনি নোটিস এবং দলের নেতাদের বিরুদ্ধে ওঠা একের পর এক অভিযোগ তৃণমূলের গৃহযুদ্ধকে আরও প্রকট করে তুলেছে।
রাজনৈতিক মহলের মতে, একদিকে দলের অন্দরের বিদ্রোহ এবং অন্যদিকে কেন্দ্রীয় ও রাজ্য এজেন্সির জোড়া চাপ—সব মিলিয়ে শাসকদলের বর্তমান পরিস্থিতি অত্যন্ত জটিল। অর্জুন সিংয়ের এই মন্তব্য শাসকদলের এই সংকটময় মুহূর্তে বিজেপি-র আক্রমণের ধার যে আরও বাড়াল, তা বলাই বাহুল্য


