Mahua Moitra
Mahua Moitra

সাংসদ তহবিলের কাজে বাধার অভিযোগ, মহুয়াকে হাই কোর্টে যাওয়ার অনুমতি সুপ্রিম কোর্টের

শুনানিতে মহুয়া মৈত্রের আইনজীবী গোপাল শঙ্করনারায়ণন দাবি করেন, কৃষ্ণনগর লোকসভা কেন্দ্রে সাংসদ স্থানীয় এলাকা উন্নয়ন প্রকল্পের অধীনে মোট ১৮টি উন্নয়নমূলক কাজ আটকে রয়েছে। এই সমস্যার সমাধান চেয়ে প্রশাসনকে চিঠি দেওয়া হলেও কোনও ফল মেলেনি বলে অভিযোগ করেন তিনি। কয়েকটি স্কুলের ছাদ নির্মাণ ও মেরামতির কাজও জরুরি বলে আদালতকে জানান মহুয়ার আইনজীবী। অন্যদিকে, রাজ্য সরকারের পক্ষে সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা বিষয়টিকে রাজনৈতিক সমস্যার সঙ্গে সম্পর্কিত বলে দাবি করেন। তবে বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী স্পষ্ট করে দেন, এই মামলায় আদালতের মূল বিবেচ্য বিষয় সাংসদের ব্যক্তিগত অধিকার নয়। বরং, উন্নয়নমূলক প্রকল্পের মাধ্যমে সাধারণ মানুষ যে সুযোগ-সুবিধা পাওয়ার কথা, তা নিশ্চিত করাই আদালতের প্রধান উদ্দেশ্য।

এই প্রেক্ষিতে সাংসদ তহবিলের প্রকল্প নিয়ে মহুয়ার অভিযোগ খতিয়ে দেখতে নদিয়া জেলা প্রশাসনকে নির্দেশ দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। প্রশাসনের কাছে অভিযোগ জানিয়েও সমাধান না হলে মহুয়া সংশ্লিষ্ট হাই কোর্টে যেতে পারবেন। অর্থাৎ, উন্নয়নমূলক কাজের পথে বাধা কাটাতে আইনি পদক্ষেপের পথ খোলা থাকছে তৃণমূল সাংসদের সামনে।

সাংসদ তহবিলের প্রকল্পের পাশাপাশি সার্কিট হাউসে থাকার ব্যবস্থা নিয়েও সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন মহুয়া। রাজ্য সরকারের ১ সেপ্টেম্বরের বিজ্ঞপ্তিতে সফরের অন্তত তিন-চার দিন আগে প্রশাসনকে জানানোর কথা বলা হয়েছিল। কিন্তু শীর্ষ আদালত জানিয়েছে, মহুয়া সফরের এক দিন আগে জেলা প্রশাসনকে জানালেই হবে। প্রোটোকল মেনে তাঁর থাকার ব্যবস্থা করা যেতে পারে। প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত বলেন, মহুয়া মৈত্র ওই এলাকার জনপ্রতিনিধি হওয়ায় সার্কিট হাউসে থাকার ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার পাবেন।

Dipsikha Mandal
দীপশিখা মণ্ডল

কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করে ২০২৩ সালে সাংবাদিকতা জগতে প্রবেশ। ETV ভারত, এক্সপ্রেস নিউজ ঘুরে এখন বেঙ্গল লিবার্টি-তে। বিনোদন, দেশ দুনিয়ার খবরের প্রতি আগ্রহ রয়েছে। ঝোঁক বেশি রাজ্য এবং জেলার খবরে। ফটোগ্রাফিতেও সময় কাটে। অসময়ের সঙ্গী বই আর সিনেমা। নেশার বস্তু কফি, প্রকৃতি আর কবিতা।