Bengal Liberty : সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে রাজনীতিবিদ, ব্যবসায়ী-সহ অনেকেই সোশ্যাল মিডিয়ায় সক্রিয়। নানা কারণে বিভিন্ন সময়ে ছবিও পোস্ট করেন তারা। সোশ্যাল মিডিয়ায় বৃহস্পতিবার এমনই একটি ছবি পোস্ট করেছেন কুনাল ঘোষ। ছবিতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন তৃণমূল কংগ্রেস (মমতা তৃণমূল) শিবিরের ১৪ জন বিধায়ককে দেখা যাচ্ছে। এই ছবি দেখার পরেই রাজনীতির ময়দানে কৌতুহলী প্রশ্ন উঠেছে।
তবে কি মমতা তৃণমূলের বিধায়কের সংখ্যা কমে ১৪-তে এসে দাঁড়াল? এই বিষয়ে উল্লেখ্য, ২০২৬ সালের মে মাসে পশ্চিমবঙ্গে রাজনৈতিক পটপরিবর্তন ও তৃণমূল কংগ্রেসের অভ্যন্তরীণ ভাঙনের পর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন তৃণমূল কংগ্রেস (মমতা তৃণমূল) শিবিরে বিধায়ক সংখ্যা কমে ২০-এ নেমে আসে। ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের পর তৃণমূলের মোট ৮০ জন বিধায়কের মধ্যে ৫৮ জন বিদ্রোহী বিধায়ক দল থেকে আলাদা হয়ে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে পৃথক ব্লক গঠন করেন। এর ফলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিবিরে আনুষ্ঠানিকভাবে মাত্র ২০ জন বিধায়ক থাকেন।
তবে কুণাল ঘোষের দাবি অনুযায়ী, বর্তমানে বহু বিদ্রোহী বিধায়ক ও সাংসদ আবারও পুলিশের ভয় কাটিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছেন এবং মূল দলে ফিরতে চাইছেন। কুনাল ঘোষ অবশ্য এদিন ছবি পোস্টের পাশাপাশি এও লিখেছেন যে, ‘আজ বিধানসভায় স্ট্যান্ডিং কমিটি এবং পরিষদীয় দলের বৈঠকের ফাঁকে লবিতে মমতাদির বিধায়করা কয়েকজন। বাকিরা এদিক-ওদিক নানা কাজে ব্যস্ত।’ এই ছবি পোষ্টের পরেই রীতিমতো জল্পনা শুরু হয়েছে রাজনৈতিক মহলে। বাকি বিধরা কি সত্যিই নিজস্ব কাজের জন্য অনুপস্থিত? নাকি ফের সর্বভারতীয় তৃণমূলে বিধায়কের সংখ্যার গ্রাফ নিম্নমুখী ?


