Bengal Liberty : বিজয়া দশমীর শুভেচ্ছাকে কেন্দ্র করে একটি হোর্ডিংকে ঘিরে বিতর্ক শুরু হয়েছে। সেই বিতর্কের আগুনে নতুন করে ঘি পড়ল উত্তর কলকাতার সাংসদ সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়ের মুখে কালি লেপে ‘চোর’ লিখে দেওয়ার ঘটনায় । প্রসঙ্গত, এনসিপিআই- এর একটি হোর্ডিংয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ এবং মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী এবং বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্যের সঙ্গে সুদীপ সহ বাকি এনসিপিআই সাংসদদের ছবি দিয়ে বিজয়ার শুভেচ্ছা জানানো হয়েছে । কলকাতার সেন্ট্রাল এভিনিউতে লাগানো ওই হোর্ডিংয়ে কালি লেপে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। মূলত ওই হোর্ডিংয়ে সুদীপের ছবিতে কালি মাখানো হয়। এই ঘটনা সামনে আসতেই সেই হোর্ডিংয়ের ছবি পোস্ট করে সুদীপকে ‘গদ্দার’ বলে আক্রমণ করেন মমতাপন্থী তৃণমূলের বিধায়ক কুনাল ঘোষ। তিনি আরও বলেন, হোর্ডিংয়ে কালি লাগানো হয়ে থাকলে অন্যদের বাদ দেওয়া হল কেন?
বিস্ফোরক কুণাল
ঘটনার সূত্রপাত একটি রাজনৈতিক হোর্ডিংকে ঘিরে। সেখানে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ছবির পাশে এনসিপিআইয়ে যোগ দেওয়া সুদীপের ছবি দেখা যায়। একই হোর্ডিংয়ে ছিল বিজেপির শুভেন্দু অধিকারী, অমিত শাহ ও শমীক ভট্টাচার্যের ছবিও। তাঁদের ছবির নীচে এনসিপিআইয়ের বাকি সাংসদদের ছবি রাখা হয়েছিল। হোর্ডিংয়ের মাঝখানে লেখা ছিল, ‘National Democratic Alliance’। সেই হোর্ডিংয়েই পরে সুদীপের মুখে কালি লেপে ‘চোর’ লিখে দেওয়ার ছবি সামনে আসে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে প্রতিক্রিয়া দিতে গিয়ে কুণাল ঘোষ বলেন, “সুদীপের হোর্ডিংয়ে সুদীপের মুখে কালি লেপে চোর লেখার নিন্দা করব কিনা ভাবছি। আর একটু ভেবে ঠিক করব।” তবে শুধু নিন্দা করা বা না করার প্রশ্নেই থেমে থাকেননি বেলেঘাটার বিধায়ক। সুদীপকে ‘গদ্দার’ বলে আক্রমণ করে তাঁর বক্তব্য, রাজনৈতিক সমালোচনা হতেই পারে। কিন্তু সেই হোর্ডিংয়ে কালি লাগানোর ঘটনা তিনি সমর্থন করছেন না। একই সঙ্গে তাঁর প্রশ্ন, যদি কালি লাগানোই হয়ে থাকে, তা হলে অন্যদের বাদ দেওয়া হল কেন?
কুণালের দাবি, তাঁর কাছে খবর রয়েছে, যাঁরা চান না দলবদলু, বেইমান ও বিতর্কিত নেতারা বিজেপির ছায়ায় এসে দলটির ক্ষতি করুন, তাঁরাই এই ঘটনার মাধ্যমে প্রতিবাদ জানিয়েছেন। এদিকে, পুলিশকে উদ্দেশ্য করেও কটাক্ষ ছুড়ে দিয়েছেন কুণাল। তাঁর অভিযোগ, তাঁর উপর হামলার ঘটনায় একজনকেও গ্রেফতার করা হয়নি। সেই প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, “এখন এবার যেন বীরত্ব দেখাতে নামবেন না।”


