কলকাতা পুরসভা
কলকাতা পুরসভা

পুজো শেষ, হোর্ডিং রেখে দিলেই জরিমানা! কড়া নির্দেশ কলকাতা পুরসভার

Bengal Liberty : দুর্গাপুজো শেষ হতেই শহরের রাস্তা থেকে পুজোর বিজ্ঞাপনের ব্যানার, ফ্লেক্স ও হোর্ডিং সরানোর নির্দেশ দিল কলকাতা পুরসভা। আগামী বুধবারের মধ্যে সমস্ত অস্থায়ী বিজ্ঞাপন এবং সেগুলি লাগানোর জন্য তৈরি বাঁশের কাঠামো সরিয়ে নিতে হবে বিজ্ঞাপন সংস্থা ও পুজো উদ্যোক্তাদের। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তা সরানো না হলে শুধু জরিমানাই নয়, পুরসভার উদ্যোগে হোর্ডিং সরানোর খরচও সংশ্লিষ্ট সংস্থা বা উদ্যোক্তাদের কাছ থেকে আদায় করা হবে। বিজ্ঞাপনের নির্ধারিত হারের অন্তত তিন গুণ পর্যন্ত জরিমানা হতে পারে বলেও পুরসভা সূত্রে খবর।

প্রতি বছর দুর্গাপুজো শেষ হওয়ার পরেও কলকাতার বিভিন্ন রাস্তার পাশে দীর্ঘদিন পড়ে থাকতে দেখা যায় পুজোর বিজ্ঞাপনের ব্যানার, ফ্লেক্স ও হোর্ডিং। কোথাও কোথাও মাসের পর মাস সরানো হয় না ওই অস্থায়ী কাঠামোগুলি। এর ফলে শহরের সৌন্দর্য নষ্ট হওয়ার পাশাপাশি পথচারী ও যানবাহনের চলাচলেও সমস্যা তৈরি হয়। বিশেষ করে বৃষ্টি বা ঝোড়ো হাওয়ায় অস্থায়ী হোর্ডিং ভেঙে পড়লে দুর্ঘটনার আশঙ্কা থাকে। সেই পুরনো সমস্যা এড়াতেই এ বার সময়সীমা বেঁধে দিয়ে কড়া পদক্ষেপের পথে হাঁটছে কলকাতা পুরসভা।

পুরসভা সূত্রে জানা গিয়েছে, এ বারের দুর্গাপুজোয় বিজ্ঞাপন দেওয়ার জন্য পুজো উদ্যোক্তাদের পুরসভার কাছ থেকে নো অবজেকশন সার্টিফিকেট (এনওসি) নিতে হয়েছে। কোন পুজো কমিটি কোথায় বিজ্ঞাপনের ব্যানার, ফ্লেক্স বা হোর্ডিং লাগিয়েছিল, সেই সংক্রান্ত তথ্যও পুরসভার কাছে রয়েছে। ফলে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বিজ্ঞাপন না সরানো হলে সংশ্লিষ্টদের চিহ্নিত করে ব্যবস্থা নেওয়া সহজ হবে।

ইতিমধ্যেই মানিকতলা, খান্না, শ্যামবাজার, মৌলালি, ইএম বাইপাসের কয়েকটি এলাকা, পাটুলি ও গড়িয়ার একাংশ থেকে বিজ্ঞাপন সরানো হয়েছে। তবে গোলপার্ক, ঢাকুরিয়া, টালিগঞ্জ, যাদবপুর ও বেহালার বিভিন্ন জায়গায় এখনও বহু হোর্ডিং রয়ে গিয়েছে বলে অভিযোগ স্থানীয় বাসিন্দাদের।

পুরসভার বিজ্ঞাপন বিভাগের এক আধিকারিকের বক্তব্য, এই পদক্ষেপের ফলে পুজো-পরবর্তী সময়ে শহরের রাস্তা পরিষ্কার রাখা এবং অস্থায়ী বিজ্ঞাপন থেকে তৈরি হওয়া সমস্যাগুলি কমানো সম্ভব হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

Pushpak Bhattacharya
পুষ্পক ভট্টাচার্য

পুষ্পক ভট্টাচার্য একজন সাংবাদিক ও গণমাধ্যমকর্মী। রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মাস্টার্স ডিগ্রি অর্জন করার পর ২০২৬-এ Bengal Liberty-তে সাংবাদিক হিসেবে তাঁর পেশাগত যাত্রা শুরু হয়। আন্তর্জাতিক সংবাদ এবং ক্রীড়া সাংবাদিকতার প্রতি বিশেষ আগ্রহ। দেশ-বিদেশের সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ, আন্তর্জাতিক রাজনীতি এবং খেলাধুলার নানা বিষযয়ের প্রতি বিশেষ ঝোঁক। ব্যস্ততার বাইরে বই ও সিনেমা সঙ্গী।