Bengal Liberty: কালীঘাটের তৃণমূলের আর্থিক দুর্নীতির টাকা কেরলে গিয়েছে—এই অভিযোগ বারবার তুলেছেন বিক্ষুব্ধ তৃণমূল নেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। রবিবার সংবাদমাধ্যমের সামনে নিজেদেরই “আসল তৃণমূল” দাবি করে ফের এই কেরল যোগের অভিযোগ সামনে আনলেন তিনি।
ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের দাবি, তৃণমূল কংগ্রেসের তিনটি নির্দিষ্ট ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে অবৈধ ও সন্দেহজনক আর্থিক লেনদেন হয়েছে। এই বিষয়ে তিনি এবং তাঁর ঘনিষ্ঠ ১০ জন বিধায়ক বিধাননগর সাইবার ক্রাইম থানাসহ পুলিশের কাছে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। তাঁর বক্তব্য, এই আর্থিক লেনদেনের জাল শুধু পশ্চিমবঙ্গে সীমাবদ্ধ নয়, এর সঙ্গে কেরলসহ একাধিক ভিনরাজ্যের যোগ রয়েছে। এমনকি অর্থ পাচারের (মানি লন্ডারিং) সম্ভাবনার অভিযোগও তুলেছেন তিনি।

সম্প্রতি তৃণমূলের বিভিন্ন ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে থাকা প্রায় ৪৪০ কোটি টাকা এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি) ফ্রিজ করার প্রসঙ্গ টেনে ঋতব্রত দাবি করেন, এই বিপুল অর্থের প্রকৃত উৎস ও লেনদেনের গতিপ্রকৃতি খতিয়ে দেখতে অবিলম্বে একজন ‘স্পেশাল অডিটর’ নিয়োগ করা উচিত।
আরও খবর

এদিন তিনি কুণাল ঘোষকেও নিশানা করেন। সারদা চিটফান্ড কেলেঙ্কারির প্রসঙ্গ টেনে ঋতব্রতর দাবি, তৃণমূলের আর্থিক লেনদেন নিয়ে পূর্ণাঙ্গ ও নিরপেক্ষ তদন্ত হওয়া প্রয়োজন, যাতে প্রকৃত সত্য সামনে আসে।
উল্লেখ্য, একাধিক দুর্নীতি নিয়ে এমনিতেই জর্জরিত কালীঘাটের তৃণমূল নেতৃত্ব। তাদের বিভিন্ন দুর্নীতির তদন্ত করছে একাধিক কেন্দ্রীয় সংস্থা। সেই প্রেক্ষিতে বিক্ষুব্ধ এই নেতার এমন মন্তব্য রাজনৈতিক মহলে যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করা হচ্ছে।


